দাঙ্গা: ক্ষোভ আর প্রতিশোধের ভিন্ন রূপ


(সভ্য জাতির দাবীদার বৃটিশ জাতির দাঙ্গার ঘটনা আমাকে দাঙ্গা বিষয়ক কিছু লেখাপড়ায় উদ্বুদ্ধ করেছে। বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়৷ কিন্তু এই বাংলাদেশের মানুষই অধিকার আদায়ে কিংবা অন্যায়ের প্রতিবাদে লড়াকু হয়ে উঠতে পারে তেমনটা অতীতে দেখা গেছে৷)

দাঙ্গাকে আমাদের দেশের মানুষ রায়ট নামেই বেশি চেনে৷ পাকিস্তান-ভারত ভাগের সময়কার রায়টের গল্প এখনো প্রবীণরা খুব বলেন৷ গুগল সার্চ দিয়ে দেখলাম স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে আর রায়ট হয়নি৷ গুগলের সার্চ থেকে জানা যায় বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রায়টের ঘটনা ঘটেছে ইংল্যান্ড ও আমেরিকায়৷ এক্ষেত্রে ভারতেরও বেশ দুর্নাম রয়েছে৷

তবে রায়ট বা দাঙ্গার যে সংজ্ঞা আইনের বইগুলোতে দেয়া আছে তাতে স্বাধীন বাংলাদেশে দাঙ্গা হয়নি সেকথা বলা যাবে না৷ বাংলাদেশের আইনে সহিংস বেআইনী সমাবেশকে দাঙ্গা বলা হয়েছে৷ বাংলাদেশের দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারা অনুসারে কোনো বেআইনী সমাবেশ বা সমাবেশে অংশগ্রহণকারী সদস্যকর্তৃক অনুরূপ সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য বল বা হিংস্রতা প্রয়োগ করলে অনুরূপ সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দাঙ্গার অপরাধে দোষী হবেন৷ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে তখনই অবৈধ সমাবেশ বলা হয় যদি ওই সমাবেশে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের সাধারণ উদ্দেশ্য হয় কতিপয় ক্ষেত্রে বাধা প্রদান কিংবা কোনো কাজ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা৷ দণ্ডবিধির ১৪৭ ও ১৪৮ ধারা অনুসারে যথাক্রমে দাঙ্গাকারী ও মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত দাঙ্গাকারী দণ্ডিত হবেন৷ দণ্ডবিধির ৩১৫ ধারা অনুসারে কখনো কোন বেআইনী সমাবেশ কর্তৃক বা সমাবেশের যেকোনো সদস্য কর্তৃক অনুরূপ সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বল বা উগ্রতা প্রয়োগ করা হলে, অনুরূপ সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দাঙ্গার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবেন৷

উল্লেখিত আইনের চোখে দেখলে বলতে হয়, আমাদের দেশে হরতালে যেভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে বাস পোড়ানো হয় কিংবা সরকারি সম্পত্তিতে বা জনগণের উপর হামলা চালানো হয় তাতে দেশের প্রতিটি হরতালে দাঙ্গা হয়ে থাকে৷ এমনকি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রায়ই দাঙ্গা হয়৷ সড়ক দুর্ঘটনার পর দেশের সড়ক মহাসড়কগুলোতে যেভাবে ভাঙ্গচুর হয় তাও কিন্তু দাঙ্গা৷ এভাবে একটু চিন্তা করলে দেশের বিভিন্ন হাটবাজারে, টিএনও অফিসে এমনকি হাসপাতালেও দাঙ্গার ঘটনা ঘটে সেকথা বলা যায়৷

আমি ইন্টারনেটে খুঁজে যতো দাঙ্গার ঘটনা পড়লাম তাতে দেখলাম প্রতিটি দাঙ্গার পিছনে একটা গল্প আছে৷ আর সেই গল্পটা হলো ক্ষোভ আর প্রতিশোধ নেওয়ার গল্প৷

ভারতীয় নিম্নবর্ণের হিন্দু ডাকাত নেত্রী থেকে জননেত্রী হওয়া ফুলন দেবীর কথা মনে আছে? ফুলন দেবী তাকে নির্যাতনের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে যা করেছিলেন সেটাও দাঙ্গা ছিলো৷ ভারতবর্ষ যখন অবিভক্ত তখন হিন্দু প্রধান ভারত মূলত শাসন করেছিল মুসলমানরা আর ৮০০ বছরের মুসলিম শাসনামলে ভারতে অনেক মন্দির ভেঙ্গে ফেলা হয়েছিল৷ পরবর্তীকালে হিন্দু আর মুসলমান এই জাতিগত বিভক্তির সূত্রে পাকিস্তান আর ভারত সৃষ্টি হলেও ভারতীয় হিন্দুরা বিভিন্ন সময়ে মুসলমানদের উপর হামলা চালিয়ে প্রতিশোধ নিয়েছে সেই সূত্রে তথাকথিত সেকুলার ভারতে হিন্দু-মুসলিম ছোট কিংবা বড় দাঙ্গা প্রায় নিয়মিত ঘটনা৷ বাবরি মসজিদ ভাঙ্গা নিয়ে অযোধ্যাতে যে হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা হয়েছে সেটাও কিন্তু প্রতিশোধ স্পৃহা থেকে সৃষ্ট৷ কিংবা ২০০২ সালে গুজরাটে যে ব্যাপক দাঙ্গা হয়েছিল সেটি পাল্টা প্রতিশোধ থেকে সৃষ্ট৷ গোদরা শহরে ট্রেনে মুসলমানরা আগুন জ্বালিয়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের হত্যা করলে প্রতিশোধ নিতে পরবর্তীতে হিন্দুরা মুসলমানদের ব্যাপকভাবে আক্রমণ চালায়৷ ফলশ্রুতিতে সরকারি তথ্য মতে, ৭৯০ জন মুসলমান ও ২৫৪ হিন্দু মারা যায়৷ এই ঘটনায় ৫২৩টি ধর্মীয় উপসনালয় ধ্বংস করা হয় যার মধ্যে ২৯৮টি দরগাহ, ২০৫টি মসজিদ, ১৭টি মন্দির ও ৩টি গীর্জা ছিল৷ মুসলমানদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো গুড়িয়ে দেওয়া হয়৷ ৬১ হাজার মুসলমান তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য পুলিশকে প্রায় ১০ হাজার রাউন্ড গুলি ছুড়তে হযেছিল৷ আর ১৭,৯৪৭ জন হিন্দু ও ৩৬১৬ জন মুসলমানকে গ্রেফতার করা হয়েছিল৷ পুলিশের গুলিতে ৯৩ জন মুসলমান ও ৭৭ জন হিন্দু মারা গিয়েছিল৷ অনেক রাজনীতিবিদ এই ঘটনাকে মুসলমানদের গণহত্যার ঘটনা হিসেবে মনে করেন৷ ভারতে খৃষ্টানদের সঙ্গে হিন্দুদের দাঙ্গার অনেক ঘটনা আছে৷ তবে শুধু যে ধর্মীয় কারণে দাঙ্গা হয় তা কিন্তু নয়৷ বিশ্বে এযাবতকালে যতো দাঙ্গা হয়েছে তাকে শ্রেণীকরণ করলে কয়েক ধরনের দাঙ্গার ঘটনা লক্ষ্য করা যায়৷ নিচে এব্যাপারে সংক্ষেপে আলোকপাত করা হলো৷

আগেই বলেছি দাঙ্গার সঙ্গে মানুষের ক্ষোভ ও প্রতিশোধ অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত৷ সম্প্রতি লন্ডনে যে দাঙ্গা হয়ে গেলো সেটাও কিন্তু দীর্ঘদিনের পুঞ্জিভূত ক্ষোভের প্রকাশ৷ মানুষ তাদের দুর্দশায় ক্ষুব্ধ হয়ে কিংবা নির্যাতন এমনকি অতিরিক্ত কর আদায়ের প্রতিবাদেও দাঙ্গা করে৷ দাঙ্গা কারাগারের মধ্যেও হতে পারে৷ কারাগারে যখন বন্দীরা দলবদ্ধভাবে কারাগারের প্রশাসন, কারা কর্মকর্তা কিংবা আরেকদল বন্দীদের আক্রমণ করে তখন সেটাকে ‘প্রিজন রায়ট’ বলে। জাতিগত দাঙ্গা মূলত শেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে দাঙ্গার মধ্য দিয়ে শুরু হলেও পরবর্তীতে এই ধরনের দাঙ্গা ইওরোপে ও এশিয়ার কিছু কিছু দেশে বিশেষ করে যেদেশে একাধিক জাতির বসবাস সেখানে ছড়িয়ে পড়েছে৷ আফ্রিকার দেশগুলোতে জাতিগত দাঙ্গার প্রচুর ঘটনা আছে৷ জাতিগত দাঙ্গা কতোটা ভয়ঙ্কর হতে পারে সেটি বোঝার জন্য সত্য কাহিনী নির্ভর মুভি ‘হোটেল রুয়ান্ডা’ দেখতে পারেন৷ শিক্ষার্থী বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাজনৈতিক দলাদলি থেকে যে দাঙ্গা তার বিকাশ ৬০ ও ৭০ দশকে আমেরিকা ও পশ্চিম ইওরোপে বেশ লক্ষণীয় হয়ে উঠায় ‘স্টুডেন্ট রায়ট’ শব্দটি পরিচিতি পায়৷ খেলাধুলাকে কেন্দ্র করেও বিশ্বে অনেক দাঙ্গা হয়েছে৷ তবে দাঙ্গার মধ্যে ভয়াবহ হলো ধর্মের সঙ্গে ধর্মের কিংবা জাতিগত দাঙ্গা৷ এই ধরনের দাঙ্গার রেশ থেমে থেমে কয়েকবছর এমনকি কয়েক যুগ থাকতে পারে৷ ভারত ও পাকিস্তানের দাঙ্গাগুলো অনেকটা এমন ধরনের৷

প্রতিটি দাঙ্গার কতগুলো সাধারণ বৈশিষ্ট্য আছে৷ যেমন, ভাঙ্গচুর, নির্দয়তা, লুটপাট ইত্যাদি৷ দাঙ্গার সুযোগে সুযোগসন্ধানীরা সরকারি ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি লুটপাটে লিপ্ত হয়৷ সাধারণত দোকানপাট, খাবারের দোকান, সরকারি দপ্তরগুলো এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দাঙ্গায় আক্রান্ত হয়৷

অনেকে মনে করেন ইটপাথরের শহর জীবনে মানুষের মধ্যে আন্তরিকতা কমে যাওয়ায় দাঙ্গা একটি শহুরে বিষয়৷ কিন্তু বাস্তবে ঘটনাটি তেমন নয়৷ যেখানেই বৈষম্যের ঘটনা ঘটে, যেখানেই দারিদ্র্য আছে, উচ্চ বেকারত্ব কিংবা লেখাপড়া করার কিংবা চিকিত্সার সুবন্দোবস্ত নেই কিংবা বসবাসের অপর্যাপ্ততা রয়েছে এবং পুলিশ বাহিনীর নৃশংসতা আর পক্ষপাতিত্ব রয়েছে সেই সমাজেই দাঙ্গা বা রায়ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷ ভারতে উচ্চ ও নিম্নবর্ণের হিন্দুদের মধ্যেও দাঙ্গা হতে দেখা যায়৷ বিচিত্র সব কারণে দাঙ্গা হতে পারে৷ যেমন, ২০০১ সালে সুইডেনের গুটেনবার্গে দাঙ্গা হওয়ার কারণ ছিলো আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের আগমন৷ ওই ঘটনায় ৫৩ জন পুলিশ ও ৯০ জন দাঙ্গাকারী আহত হয়েছিল৷ আমেরিকাতে ১৯৬৯ সালে সমকামীরা নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য দাঙ্গায় লিপ্ত হয়েছিল৷ চীনে শুধুমাত্র ২০০৫ সালে প্রায় ৮৭ হাজার দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছিল৷ তবে দাঙ্গার ইতিহাসে ইওরোপ খুবই সমৃদ্ধ৷ যতো কারণে রায়ট হতে পারে প্রায় সব ধরনের কারণই ইওরোপে বিদ্যমান৷

দাঙ্গার প্রসারের কারণেই বিশ্বের দেশে দেশে পুলিশ বিভাগে দাঙ্গা পুলিশ থাকে৷ কিন্তু পুলিশ নিজেই দাঙ্গায় লিপ্ত হতে পারে৷ তারা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শনকারীদের উপর যখন চড়াও হয় তখন সেটাকে ‘পুলিশ রায়ট’ বলা হয়৷ আমারে দেশে তো বটেই এই ধরনের ঘটনা আমেরিকা ও ইওরোপে ঘটতে দেখা যায়৷ ভারত, মায়ানমার, পাকিস্তান কিংবা এশিয়ার দেশগুলোতে সাম্প্রতিককালে মধ্যপ্রাচ্যে পুলিশের দাঙ্গার ঘটনা খুব দেখা যাচ্ছে৷

ইন্টারনেটে লেখাপড়া করে দাঙ্গার যে বিচিত্র কারণ দেখলাম তাতে এই আশঙ্কা হচ্ছে যে, বাংলাদেশে যেকোন সময় ব্যাপক দাঙ্গা কবলিত হতে পারে৷ বিশ্বে খাদ্য নিয়ে দাঙ্গার ঘটনাও ঘটেছে৷ সাধারণত খরার ফলে খাদ্যশস্য উত্পন্ন না হওয়া, খাদ্যের ঘাটতি, খাদ্যে ভেজাল মেশানো কিংবা খাদ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে ‘খাদ্য দাঙ্গা’ হয়ে থাকে। এই বিবেচনায় বাংলাদেশে খাদ্য দাঙ্গাসহ ব্যাপক দাঙ্গা হওয়ার মতো অনেক কিছুই এখন আছে৷ কোন কারণে ঘনবসতিপূর্ণ এই দেশে বড় ধরনের দাঙ্গা হলে সেই দাঙ্গায় বিশ্বের সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ যেমন মারা যাবে সেসঙ্গে সর্বোচ্চ আর্থিক ক্ষতি হবে৷ এব্যাপারে সকলকে সজাগ থাকা দরকার এবং যে যে কারণে দাঙ্গা হয়ে থাকে সেসকল কারণ যাতে দানা বাঁধতে না পারে সেদিকে সরকারের নজর দেওয়া দরকার৷ আর সেসঙ্গে দাঙ্গার মতো ঘটনায় কিভাবে মোকাবেলা করা হবে তার জন্য বিস্তারিত প্রস্তুতিও সরকারকে থাকতে হবে৷ নতুবা দাঙ্গা লাগলে সেই দাঙ্গা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে না৷

ভিডিও ক্যামেরা দাঙ্গার সহিংসতা কমানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে৷ তারপরও প্রতিবছর বিশ্বে যে পরিমাণ দাঙ্গা হয় বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোতে যেখানে সিসি ক্যামেরা খুবই সাধারণ একটা বিষয়, তাতে একথা ভাবা যেতেই পারে যতো দিন যাচ্ছে মানুষ অনেক বেশি হিংস্র হয়ে উঠছে৷ মানুষের মধ্যে সহনশীলতা কমছে৷ প্রতিশোধ নেওয়ার সংখ্যা বাড়ছে৷ আর সেসঙ্গে বাড়ছে দাঙ্গা হাঙ্গামা৷ সিঙ্গাপুরের মতো ছোট দেশেও একাধিক দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছে৷ তারমানে মানুষ এখন অনেক বেশি অসহিষ্ণু হয়ে উঠেছে৷ মানুষের মধ্যে প্রতিশোধপরায়নতা বাড়ছে৷ মানুষ যাতে বঞ্চিত না হয়, তাদের মধ্যে ক্ষোভের বিস্তার যেন না হয়, সেব্যাপারে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে সরকারকে৷ বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়৷ কিন্তু এই বাংলাদেশের মানুষই অধিকার আদায়ে কিংবা অন্যায়ের প্রতিবাদে লড়াকু হয়ে উঠতে পারে তেমনটা অতীতে দেখা গেছে৷ এই অবস্থায় দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারকে তাদের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মনোযোগী হওয়ার পাশাপাশি জনগণের পালস বোঝার চেষ্টা করতে হবে৷ দাঙ্গা রোধের সহজ পথ হলো সরকারের মানবিকবোধসম্পন্ন হওয়া৷ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা৷ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা৷ আর সেটা করতে ব্যর্থ হলে কি হতে পারে? দাঙ্গা হতে পারে৷ সরকারকে মনে রাখতে হবে পৃথিবীতে দাঙ্গার ঘটনার সূত্রে অনেক সরকারের পতন হয়েছে৷

(রাইট টার্ন, সাপ্তাহিক বিপরীত স্রোত, বর্ষ ১, সংখ্যা ২২, ১৬ আগস্ট ২০১১, ০১ ভাদ্র ১৪১৮)

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s