স্যালুট টু বৃটেন এন্ড ইন্ডিয়া, নট টু আমেরিকা অর চায়না


কতো লোককে কাজ দিয়েছে তার কোম্পানিগুলো সেকথা বলে সরকারকে ভয় দেখানোর অভ্যাস আছে ঋণ খেলাপি সালমান এফ রহমানের। কর্মসংস্থান করা যেকোনো দেশের সরকারের একটি বড় কাজ। সালমান এফ. রহমানের মতো লোকেরা সেই সুযোগটাকে কাজে লাগায়! সম্প্রতি বিশ্বের সেরা দশটি চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। কি ভাবছেন, সালমান এফ রহমানের নাম সেখানে আছে কিনা?

সেখানে এক নাম্বারে রয়েছে আমেরিকার প্রতিরক্ষা বিভাগের নাম। এখানে কাজ করে ৩২ লাখ মানুষ। তারা সামরিক বাহিনী, ন্যাশনাল গার্ড, রিজার্ভ ফোর্স এবং বেসামরিক নাগরিকদের সহায়তা দেওয়ার জন্য গঠিত সামরিক বিভাগে কাজ করে। ৩২ লাখ কর্মীর এই বিশাল বাহিনীর প্রধানের নাম জেনে রাখুন: লিয়ন পানেট্টা।

দুই নাম্বারে রয়েছে জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের এক নাম্বার দেশ চীনের সেনাবাহিনী। পিপলস লিবারেশন আর্মি নামে পরিচিত চীনা সেনাবাহিনীতে সক্রিয় সদস্যর সংখ্যা বিশ্বের সর্বাধিক, ২৩ লাখ। জু জিনতাও বাহিনী প্রধান।

তিন ও চার নাম্বারে কে আছে সেকথা বলার আগে ৭ নাম্বারে কে আছে সেকথা বলতে চাই। ৭ নাম্বারে আছে বৃটেনের স্বাস্থ্য বিভাগ। প্রতি ২৩ জন বৃটিশের একজন স্বাস্থ্যবিভাগে কাজ করেন। তাদের মধ্যে আবার ৮৪ শতাংশ কাজ করেন রোগীকে সেবা দেওয়ার জন্য। মাত্র ৩ শতাংশ কাজ করেন ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে। মোট ১৪ লাখ মানুষ এই খাতে কাজ করে। সদর দপ্তর লন্ডনে। ডেভিড নিকলসন হলেন কোম্পানির প্রধান। বিভাগের নামটি হলো- বৃটিশদের কাছ থেকে স্বাস্থ্য সেবা কিভাবে জনকল্যাণে দেওয়া যায় সেকথা শেখা যেতে পারে।

এবার আসুন তিন ও চারের গল্প বলি।

তিন নাম্বারে আছে খুচরা পোশাক বিক্রেতা ওয়ালমার্ট। পারিবারিক ব্যবসা ওয়ালমার্টে কাজ করে ২১ লাখ কর্মী। তাদের মোট দোকানের সংখ্যা প্রায় ৮,৫০০। আমেরিকার আরকানসাসের বেনটনভিলেতে সদর দপ্তর আর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন মাইক ডিউক।

চার নাম্বারে আছে খাবার বিক্রেতা ম্যাক ডোনাল্ডস। তাদের দোকানগুলোতে কাজ করে প্রায় ১৭ লাখ মানুষ। দোকানগুলোতে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি মানুষ খেয়ে থাকে। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়নি যে কতো দিনে। সদর দপ্তর হলো আমেরিকার ইলিয়নসে। আর কোম্পানির প্রধান হলেন জেমস এ. স্কিনি।

এবার ৫ ও ৬ নাম্বারে কারা রয়েছেন সংক্ষেপে বলে দেই। ৫ নাম্বারে রয়েছে চাইনিজ ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম করপোরেশন। চাকরি দিয়েছে প্রায় ১৭ লাখের। বেইজিংয়ে সদর দপ্তর। আর প্রধানে নাম জিয়াং জেমিন। ৬ নাম্বারে রয়েছে চীনের ইলেকট্রিক পাওয়ার ট্রান্সমিশন কোম্পানি স্টেট গ্রিড করপোরেশন অফ চায়না। তারা কাজ দিয়েছে ১৬ লাখ মানুষের। ফরচুন ৫০০ তালিকায় এই সংস্থার নাম্বার হলো ৮।

চাকরি বাজারে সর্বাধিক লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার দিক থেকে বিশ্বের ৮ নাম্বার প্রতিষ্ঠানটি হলো ভারতের। সেই কোম্পানির নাম বলার আগে ৯ নাম্বারে কে আছে দেখে আসি।.৯ নাম্বারে চীনের প্রতিষ্ঠান চায়না পোস্ট গ্রুপ। প্রায় ৯ লাখ লোকের কর্মসংস্থানকারী সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০০৬ সালে। তাদের পেইডআপ ক্যাপিটাল ১০ বিলিয়ন ডলার। আর ১০ নাম্বারে রয়েছে তাইপেতে ‍অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় চুক্তিতে কাজ করা ইলেকট্রনিক্স পণ্য নির্মাতা কোম্পানি হন হাই। তারা এপলের আইফোন, আইপ্যাড ছাড়াও নোকিয়া ও সনির কাজ করে থাকে।

সবশেষে বলছি ভারতীয় রেল কোম্পানির কথা। প্রতিদিন ৩ কোটিরও বেশি যাত্রী বহনকারী এই কোম্পানি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রেলওয়ে নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে। তবে, এই কোম্পানিতে মোট কতো কর্মী কাজ করে সেকথা প্রতিবেদনে বলা হয়নি।

Advertisements

2 thoughts on “স্যালুট টু বৃটেন এন্ড ইন্ডিয়া, নট টু আমেরিকা অর চায়না

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s