ধর্মকর্ম কম এবং ডিভোর্স বেশি


মানুষের জীবনে ধর্মের প্রভাব অপরিসীম। অনেকেই মনে করেন বিশ্ব শান্তির জন্য ধর্ম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ ধার্মিক বলেই অনেক শান্তিতে আছে মানুষ। যারা এই মতের অনুসারী নয় তারা নানানভাবে প্রমাণ করার চেষ্টা করেন, ধর্ম ছাড়াই শান্তিতে থাকে মানুষ। এমনই একটি জরিপের ফল থেকে জানা যায় বিশ্বের সবচেয়ে কম ধর্মকর্ম হয় এস্তোনিয়ায়। দেশটির মাত্র ১৪ শতাংশ মানুষ ধর্মে বিশ্বাসী। এস্তোনিয়ায় অনেক চার্চ আছে কিন্তু সেগুলোর বেশিরভাগই রোববার প্রার্থনাকালে খালি থাকে। যে গুটিকয় মানুষ সেখানে যায় অনেকসময় দেখা যায় তাদের বেশিরভাগ আবার অন্য দেশ থেকে আসা পরযটক। এমনকি এস্তোনিয়ার বিদ্যালয়ের কারিকুলামে ধর্ম পড়ানো হয় না।
সুইডেন হলো দ্বিতীয় দেশ। মাত্র ১৭ ভাগ মানুষ ধর্মে বিশ্বাসী। ২০০০ সালেও দেশটির ৮২.৯ শতাংশ মানুষ ধর্মে বিশ্বাসী ছিল যা এখন হয়েছে মাত্র ১৭ ভাগ। কেন তার কোন ব্যাখ্যা অবশ্য জানা যায় না।

 

এরপর রয়েছে ডেনমার্ক। এই দেশের মানুষ নিজেদের নাস্তিক পরিচয় দিয়ে থাকে। এমনকি ধর্ম নিরপেক্ষ বলে নিজেদের প্রচার করা ও কোন ধরনের ধর্মীয় উৎসব পালন করাটা যেন ডেনমার্কে রেওয়াজে পরিণত হচ্ছে।

 

এরপর রয়েছে নরওয়ে। দেশটির মাত্র ২০ ভাগ জনগোষ্ঠী ধর্মে বিশ্বাসী। সম্প্রতি তারা রাষ্ট্র ধর্ম বিলুপ্ত করেছে। নরওয়ের দুই শতাংশ মানুষও চার্চে যায় না।

 

তালিকার পাঁচ নাম্বারে রয়েছে চেকোস্লোভাকিয়া প্রজাতন্ত্র। মাত্র ২১ শতাংশ মানুষ ধর্মে বিশ্বাস করে।

 

ডিভোর্স বেশি কোন দেশগুলোতে এখন সেটা জানার চেষ্টা করব।

 

নয় নাম্বারে আছে চেকোস্লোভাকিয়া। এখানে বিবাহ বিচ্ছেদের হার প্রতি হাজারে ৩.১১। হটেস্ট পুরুষের দেশের তালিকায় (দেখুন-http://tinyurl.com/d9yev73) সাত নাম্বারে থাকা কিউবা বিবাহ বিচ্ছেদের দিক থেকে আছে আট নাম্বারে। প্রতি হাজারে বিচ্ছেদের হার ৩.১৬। তবে কিউবার ৭০ ভাগ বিয়েই বিচ্ছেদের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটে।

 

মদের দেশের তালিকাটা মনে আছে। সেই তালিকার এক নাম্বারে থাকা মলদোভা (http://tinyurl.com/d7afu3w) ডিভোর্সের দিক থেকেও এগিয়ে আছে। প্রতি হাজারে ৩.৫০ হার নিয়ে তাদের অবস্থান কিউবার আগে। সাত নাম্বারে। মলদোভার পুরুষরা যখন মদের গ্লাসে ডুবে থাকে তখন নারীরা ঘরে ও ঘরের বাইরে কাজের জন্য ছুটতে থাকে। অনেক বেশি মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে তারা বিবাহ বিচ্ছেদে যায়।

 

ইউক্রেনের কথা মনে আছে। সুন্দরীদের তালিকায় (http://tinyurl.com/crnlypy) তিন নাম্বারে থাকা দেশটি বিবাহ বিচ্ছেদের ৩.৭৯ হার নিয়ে পঞ্চম স্থানে আছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের ভাঙ্গনের পর ইউক্রেনের মেয়েরা স্বাধীনতার দিকে বেশি করে ঝুঁকে পড়ে। এদিকে দেশটিতে আগে থেকে চলে আসা পুরুষতান্ত্রিক সংস্কৃতি পুরো পরিস্থিতিকে নাজুক করে তুলেছে। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অর্থনীতির টালমাটাল অবস্থা। সবমিলিয়ে সেখানে বিবাহ বিচ্ছেদ বাড়ছে।

 

সুন্দরীদের তালিকায় ছয় নাম্বারে থাকা দেশ দক্ষিণ কোরিয়া বিবাহ বিচ্ছেদের দিক থেকে রয়েছে ১০ নাম্বারে। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো এক দশক আগেও দক্ষিণ কোরিয়ায় বিবাহ বিচ্ছেদ এক দুর্লভ ঘটনা ছিল। ১৯৯৭ সাল থেকে দেশটিতে বিবাহ বিচ্ছেদের হার বৃদ্ধির যে ধারা শুরু হয়েছে সেটি এখনো ঊর্ধ্বমুখী।

 

হট পুরুষের তালিকায় নয় নাম্বারে থাকা আমেরিকা বিবাহ বিচ্ছেদের তালিকায় রয়েছে তিন নাম্বারে। তবে রাশিয়া ছাড়িয়ে গেছে সবাইকে। এক নাম্বার তাদের দখলে।

Advertisements

4 thoughts on “ধর্মকর্ম কম এবং ডিভোর্স বেশি

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s