বাংলাদেশের বাঙালি সংস্কৃতি: কাদের নিয়ন্ত্রণে, কোন গন্তব্যে


সংস্কৃতি হলো রাষ্ট্র ও জাতির ব্যাকবোন বা মেরুদণ্ড।  বাংলাদেশী রাষ্ট্রের অধিবাসী বাঙালি জাতির সংস্কৃতি কী সেটা আমরা কম বেশি সবাই জানি।  অতিথিপরায়ন হিসেবে এই জাতির যথেষ্ট সুনাম আছে।  বাঙালি জাতি ধর্মপরায়নও বটে।  যেকারণে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা পর্যাপ্ত পরিমাণে দেখা যায়।  তাই বলে এই জনপদে বারবনিতা ও মদ্যপ মানুষ কখনো ছিলো না সেকথা বলা যাবে না।  বরং বলতে হবে সবসময়ই ছিলো।  অনেক জমিদার বাড়িতে বাইজীর নাচ ও মদের আসর নিয়মিত বসত।  এমনকি অনেক জমিদার বাড়িতে পৃথক নাচঘর ছিলো।  বাগানবাড়ি ছিল আনন্দ ফূর্তি করার জন্য।  বাংলা সাহিত্যেও মদ ও মেয়েমানুষ নিয়ে ফূর্তি করার বর্ণনা রয়েছে।  তবে বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতি কখনোই মদ খাওয়া, জুয়া খেলা এবং মেয়ে মানুষ নিয়ে ফষ্টিনষ্টি করাকে নিজস্ব সংস্কৃতি হিসেবে গ্রহণ করেছে এমন দাবী কেউ কখনো করেনি।  বরং বাঙালি সংস্কৃতিতে পরনারীতে আসক্তি, বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক, মদ ও জুয়া খেলাকে ঘৃণার চোখে দেখা হয়েছে।  বাংলা শিল্প-সাহিত্য ও নাটকে তারই প্রতিফলন আমরা দেখতে পাই।

বাংলাদেশে আবহমান বাঙালি সংস্কৃতির চিরায়ত যে রূপ দেখে আমরা বড় হয়েছি তাতে কবে, কখন পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগতে শুরু করেছে দিনক্ষণ উল্লেখ করে বলা যাবে না; কিন্তু বিষয়টি যে উদ্বেগজনক পরিস্হিতির দিকে মোড় নিয়েছে তা দিনে দিনে সুস্পষ্ট হয়ে উঠছে।

একসময় চলচ্চিত্রে নর-নারীর যৌনমিলন দৃশ্য বোঝাতে ফুলের ঠোকাঠুকি, প্রজাপতির উড়ে বেড়ানো কিংবা পুব আকাশে সূর্যের আলো ফোটার দৃশ্য দেখানো হতো।  সেদিন এক টেলিভিশন চ্যানেলের নাটকে দেখলাম পার্ক করা গাড়ির পেছনের সিট থেকে একজোড়া তরুণ-তরুণী বের হয়ে এলো।  তারপর তরুণ শার্টের বোতাম লাগাচ্ছে আর তরুণীটি তার অবিন্যস্ত চুল আর পোশাক ঠিকঠাক করছে।  এরপর তরুণটি ড্রাইভিং সিটে বসল আর তরুণীটি পাশের সিটে।  আরেকদিন দেখি অন্য এক চ্যানেলের নাটকে এক মেয়ে অন্য এক মেয়েকে ফোনে বলছে, ‘কিরে ফোন ধরতে দেরি হলো কেন? অমুকে আছে নাকি?’ উত্তরে মেয়েটি না বলল।  তখন ফোনকারী মেয়েটি বলল, ‘শোন,ভালো একজন ক্লায়েন্ট আছে।  খ্যাপ মারার সময় আছে কিনা। ’ এবার মেয়েটি হ্যা সুচক উত্তর দিলো।  তখন মেয়েটি বলল, একজন বিদেশী আসবে তার আবার টেস্ট ভিন্ন।  এরপর একটি ছেলের নাম বলে জানতে চাইল তাকে পাঠানো যাবে কিনা? অন্য মেয়েটি জেনে নিল কোথায় পাঠাতে হবে।  এরপরের দৃশ্যে দেখা গেল একটি ছেলে একটি এপার্টমেন্টের লিফট দিয়ে উঠে একটি কলিংবেল চাপলো।

এভাবে নাটকগুলোতে বারবনিতা, সমকামিতা, পরকীয়ার মতো বিষয়গুলো বাঙালি সংস্কৃতির অনুষঙ্গ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সযত্ন চেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  একবার এক বিদেশী মুভিতে দেখেছিলাম পুরুষ চরিত্রটি হলো একজন জনপ্রিয় নায়ক যার কাছে চলচ্চিত্রে নায়িকা হতে আগ্রহীদের ভীড় লেগেই থাকে।  নায়ক নায়িকা হতে ইচ্ছুকদের বলেন, ‘তুমি ভাবো যে তুমি অভিনয় করছো।  গল্পের প্রয়োজনে তোমাকে সেক্স করতে হচ্ছে।  এখানে আবেগ থাকবে, দর্শকদের সামনে বিশ্বাসযোগ্যভাবে সবকিছু উপস্হাপন করতে হবে।  কিন্তু অভিনয়ের শেষে সবকিছু তুমি ভুলে যাবে।  কারণ অভিনয় অভিনয়ই।  এনিয়ে নিজের মনে অনুশোচনা থাকা চলবে না। ’ মুভিতে দেখানো হয়, অল্প বয়সে নাম ও যশের জন্য আগ্রহীরা এই কথায় মোহিত হয়ে তাদেরকে উজার করে দিচ্ছে।  বাংলাদেশেও এখন এমনটা হচ্ছে।  মডেলিং ও নাটক শেখানোর স্কুলের আড়ালে কিংবা গানের প্রতিযোগিতা কিংবা সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার আড়ালে গ্রুমিং করার নামে বাঙালি অধ্যুষিত বাংলাদেশী রাষ্ট্রে একটা তথাকথিত হাইক্লাস সেক্স ইন্ড্রাস্টি তৈরি করার চেষ্টা চলছে।  সোনালী পর্দার হাতছানিতে আক্রান্ত হওয়া কিশোরী ও তরুণীদের প্রলুব্ধ করে যৌনসুখ উপভোগের ঘটনা কিংবা নীল ছবি তৈরির ঘটনা আড়ালে আবডালে আগেও ছিলো।  এখন বিষয়টিকে একটি স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত করার অপচেষ্টা চলছে।  বাঙালি সংস্কৃতির চিরায়ত মূল্যবোধের ভিত্তিগুলোকে দুর্বল করার এই প্রয়াসের নেতৃত্বদানকারীরা আবার সমাজে সংস্কৃতির হর্তাকর্তা।  ভালো আমের সঙ্গে একটা দু’টা পচা আম গছিয়ে দেওয়ার মতো তারা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষক কিংবা বিচারকদের দলে নিজেদের ভিড়িয়ে নিচ্ছে।

একটি মিথ্যাকে বারবার সত্য হিসেবে প্রচার করতে থাকলেই যে মিথ্যাটি সত্য হয়ে যায় তা নয়।  কিন্তু এর মাধ্যমে একটি বিভ্রান্তিকর পরিস্হিতি ঠিকই তৈরি করা যায়।  সেই সুযোগটাকে কাজে লাগায় সমাজের অসাধু মানুষেরা।  তারা গণমাধ্যমের শাখাগুলোকে ব্যবহার করে বিশেষ করে টেলিভিশনকে ব্যবহার করে সমাজকে এমনসব বার্তা দিচ্ছে যা বাংলাদেশের বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।  যেমন, ফ্যাশন টেলিভিশনের অর্ধনগ্ন ফ্যাশন শো-র অনুকরণে বাংলাদেশী কোন কোন চ্যানেলে প্রায় অর্ধনগ্ন ফ্যাশন শো দেখানো হচ্ছে।  প্রকাশ্যে গতর দেখানো বাঙালি সংস্কৃতি নয়।  যেমন বাঙালি সংস্কৃতি নয় লিভ টুগেদার কিংবা প্রকাশ্যে পরকীয়া, মদ পান ও জুয়া খেলা।  একসময় সমাজে যা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল সেইসব ঘটনাকে নিয়মিত ও স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত করার যে প্রয়াস তার মধ্য দিয়ে মিথ্যাকে সত্যে পরিণত করার দুরভিসন্ধি চলছে।  বাঙালি সংস্কৃতিকে কলুষিত করার এই অপচেষ্টা কার স্বার্থে? এরা কারা? প্রশ্ন হলো কারা বাঙালি সংস্কৃতির বিরোধী কর্মকাণ্ড করছে? এরা কি মাথায় টুপি দেওয়া দাড়িওয়ালা মানুষ? টেলিভিশনে যেমনটা দেখানো হয় বাংলাদেশী রাষ্ট্র এবং বাঙালি সংস্কৃতি বিরোধী চরিত্রের মাথায় একটি টুপি এবং মুখে দাড়ি থাকে।

বাস্তবতা হলো চুল-দাড়ি নির্বিশেষে কিছু লোভী মানুষ কিশোর বয়সী ও যুব সমাজের মধ্যে লোভ ও মিথ্যা আকাঙক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে নিজেদের পকেট ভারী করছে এবং তাদেরকে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করছে।  বাঙালি সংস্কৃতির বিপরীত কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।  বাঙালি সংস্কৃতিতে নারীকে কখনোই পণ্য হিসেবে গণ্য করা হয়নি।  একদিকে তথাকথিত সংস্কৃতিবান মানুষেরা পশ্চিমা ভাবধারায় নারীকে পণ্য হিসেবে প্রচার করছে।  আর তাদেরই স্ত্রী কিংবা ভাই-বোনেরা বিভিন্ন সংস্হা বানিয়ে নারী অধিকার আন্দোলন করছে।  এভাবে একদিকে বাঙালি সংস্কৃতিকে ধ্বংস করার এবং অন্যদিকে মূল্যবোধ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ব্যবস্হা চালিয়ে যাচ্ছে।

ঢাকায় তেজগাঁও, উত্তরা, বনানীতে ভারতীয় হিন্দি সিনেমা স্টাইলে স্বল্পবসনা তরুণীদের নাচ গান চলে।  ল্যাপ ড্যান্স হয়।  তরুণীদের প্যান্টি-ব্রা-তে টাকা গুজে দেওয়া কিংবা টাকা ছুড়ে মারা হয়।  সেসঙ্গে চলে তরল অগ্নিতে গলা ভেজানো।  এটিকে কোনমতেই আগের আমলের জমিদারদের বাগানবাড়ি কিংবা নাচঘরের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলা যাবে না।  কারণ গাজীপুর কিংবা কালিয়াকৈরে শুটিং স্পটের নামে তেমনটা আছেই।  স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সমাজের বিবেক নামে খ্যাত যে মধ্যবিত্ত সমাজ বাঙালি সংস্কৃতিকে রক্ষার জন্য সোচ্চার হয়েছিল সেই সমাজ বাংলাদেশ থেকে হারিয়ে যায়নি।  কিন্তু এখন সেই সমাজের অনেক নেতৃত্বশীল ব্যক্তিত্ব মুখোশের আড়ালে বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতিকে ধ্বংস করার কর্মকান্ডে লিপ্ত।  তারা অনৈতিক ও অসামাজিক সব ধরনের কর্মকান্ডকে বিভিন্ন ঘটনার আড়ালে স্বাভাবিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।  দেশে করপোরেট কালচারের নামে বাঙালি সংস্কৃতিতে একটি নতুন ধরনের কালচার চালু করার চেষ্টা করা হচ্ছে।  সমাজ গবেষকগণ দাবী করেন একটি সমাজের মানুষ যখন নিম্ন আয় থেকে মধ্যম আয়ের পথে যেতে থাকে তখন সেই সমাজে কিছু নেতিবাচক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে।  পরকীয়া, লিভ টুগেদার, ল্যাপ ড্যান্স কিংবা কোলে বসে নৃত্য, ন্যুড, সেমি-ন্যুড নাচ ও মদের আসর এবং জুয়া খেলা তেমনই কিছু বিষয়।  সবকিছুর মূলে হলো সেক্স ও অর্থ।  বাঙালি সংস্কৃতির মূলস্রোতে যার কোন স্হান নেই।  বাঙালি সংস্কৃতিতে লাম্পট্যের কোন মর্যাদা নেই।  বরং আছে ঘৃণা।  কিন্তু সমাজের কিছু লম্পট মানুষ লাম্পট্যকে মানবিক চেহারা দিতে চায়।  এই মানুষদের কেউ কেউ সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আইকন।  মহিরুহ।  বিরাট কিছু।  এদের পেছনে আছে শক্তিশালী মিডিয়া।  তারা যুক্তি দিয়ে ঘটনাকে নানান কায়দায় উপস্হাপন করে অল্প বয়সীদের বিভ্রান্ত করছে।  যেমন, প্রভার সঙ্গে রাজীবের বাগদান পরকীয়া ছিলো না।  কিন্তু ওই সময়ে অপূর্বের সঙ্গে প্রভার যে প্রেম ছিল সেটা কিন্তু পরকীয়া।  আবার বাগদান ভেঙ্গে দেওয়া ও অপূর্বকে বিয়ে করার ফাঁকে রাজীবের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত যে শারীরিক মিলন সেটাও কিন্তু পরকীয়া।  সেই পরকীয়ার জের ধরে প্রভার অবৈধ সম্পর্কের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছিল।  চলচ্চিত্র নির্মাতা ও স্হাপত্যবিদ নির্ঝর এবং চৈতির কাহিনীও সবার জানা।  কিংবা অরুন চৌধুরীর ঘটনা।  যারা আইকন ও পাবলিক ফিগার তাদের দায়িত্ববোধ সমাজের সাধারণ মানুষের চেয়ে অনেক বেশি হওয়া উচিৎ।  সেক্সকে ডালভাত মনে করে যে পশ্চিমা সমাজ তাদের দেশেও পাবলিক ফিগারদের পরকীয়া ও যত্রতত্র সেক্স করা জনগণ কঠোরতার সঙ্গে দেখে।  বিষয়গুলো খুব জটিল লাগলে সহজ করে বোঝার জন্য  অর্থোডক্স বা ধমর্ীয় মূলধারার ব্যাখ্যা নিতে পারেন।  হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান, ইসলামসহ প্রধান ধর্মগুলোতে বিয়ে ছাড়া ছেলে ও মেয়ের শারীরিক সম্পর্ক মানেই সেটা অবৈধ।  অনেক ধর্মে বিবাহ বিচ্ছেদ ও একাধিক বিয়ের অনুমতি থাকলেও বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।

কিন্তু তাই বলে বিবাহ বহিভর্ূত সম্পর্ক থেমে নেই।  আমেরিকাতে প্রায় ৬০ ভাগ বিবাহিত মানুষ জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে বিবাহ বহিভর্ূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।  গবেষণা থেকে জানা যায় যে, আমেরিকাতে অন্তত ২ থেকে ৩ শতাংশ শিশুর জন্ম অবিশ্বস্ত সম্পর্কের ফলাফল হিসেবে।  বাঙালি সংস্কৃতিতে অবিশ্বস্ত সম্পর্কের যে বিস্তার ঘটছে একটু ভিন্ন ভাবে।  প্রলোভন ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের আড়ালে।  আমেরিকা ও ইউরোপে এডাল্ট শিল্পে ছেলেমেয়েরা অংশ নেয়।  আর এখানে নীল ছবিকে বেছে নেওয়া হচ্ছে ব্ল্যাকমেইল করার কৌশল হিসেবে।  গোপন ক্যামেরা ব্যবহার করে প্রেমের ফাঁদে আটকিয়ে নগ্ন নারীর ছবি তুলে কিংবা যৌনকর্মের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে সেটাকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ছেলে মেয়েদেরকে বারবার ব্যবহার করা হয়।  মডেলিং শেখানোর হাউজগুলোতে কিংবা নাটক নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে তথাকথিত মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা এই ধরনের কাজে নিয়োজিত।  আজকাল বিউটি পার্লারগুলোকেও এই কাজে সহযোগী করা হচ্ছে।  সীমাহীন লোভে দিগভ্রান্ত হয়ে পড়েছে যেন বাঙালি মধ্যবিত্ত সমাজ।  ব্যক্তি জীবনে নীতি নৈতিকতাহীন মানুষেরা হয়ে উঠেছে মিডিয়া আইকন।  তারাই নিয়ন্ত্রণ করতে চাচ্ছে বাঙালি সংস্কৃতি।  এটি কোনমতেই আমাদের গন্তব্য হতে পারে না।  এই পতন রোধে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত চিন্তা চেতনায় উন্নত চুল দাড়ি নির্বিশেষে মধ্যবিত্ত সমাজকেই এগিয়ে আসতে হবে।

(লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছে ডিসেম্বরর ৮ তারিখে দৈনিক নয়া দিগন্তের উপ-সম্পাদকীয়তে। সেই লেখার শিরোণাম ছিলো বাংলাদেশের সংস্কৃতি: কাদের নিয়ন্ত্রণে কোন গন্তব্যে।)

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s