চোর ছ্যাচ্চোড়, রক্তচোষা, উম্মাদদের দেশে আবুল মাল আবদুল মুহিত


অর্থমন্ত্রী মি. আবুল মাল আবদুল মুহিত ছবি: ইন্টারনেট

অর্থমন্ত্রী মি. আবুল মাল আবদুল মুহিত
ছবি: ইন্টারনেট

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের উজ্জ্বল নক্ষত্র হলেন মি. আবুল মাল আবদুল মুহিত। তৎকালীন পাকিস্তানের জাদরেল সিএসপি অফিসার স্বাধীন বাংলাদেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদের অধিকারী এবং বর্তমানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একজন কৃতিমান মানুষ। যুগে যুগে তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন।

তিনি যখন সরকারি চাকরি করেছেন সত্যিকারের সরকারের অনুগত কর্মচারী ছিলেন তিনি। পাকিস্তান সরকারের প্রতি তার ন্যায় নিষ্ঠা তাকে ভূষিত করেছিল তমঘা ই খিদমত পদকে। পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব হিসেবে ছিলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। ১৯৬০ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্বে ছিলেন। তার লয়ালিটিতে পাকিস্তান সরকার সর্বদাই খুশি ছিল। যেকারণে তাকে আমেরিকায় কূটনীতিক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল পাকিস্তান আমলে।

তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বিএনপি-র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং স্বৈরাচার হিসেবে খ্যাত এরশাদের শাসনামলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশে যোগ্য লোকের অভাব পূরণে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি পাকিস্তান আমলের উপ-সচিবের দায়িত্ব পালন করলেও ১৯৭২ সালে যোগ্য লোকের অভাবে আনুগত্যের পরাকাষ্ঠ দেখিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে পরিকল্পনা কমিশনের সচিব হন। ১৯৭৭ সালে তার বিদেশ সংযোগের যোগ্যতায় জিয়া সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বহিঃসম্পদ বিভাগের সচিবের দায়িত্ব পান।

১৯৮১ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসর নিয়ে মি. আবুল মাল আবদুল মুহিতকে বসে থাকতে হয়নি। তিনি আমেরিকান ফোর্ড ফাউণ্ডেশনে চাকরি পেয়ে যান। ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র মি. আবুল মাল আবদুল মুহিকে কখনো বসে থাকতে হয়নি। ফাদ, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, আইডিবিসহ অনেক বিদেশী প্রতিষ্ঠানে তিনি কাজ করেছেন। মাঝে এরশাদের সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এভাবেই ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র মি. মুহিত একজন স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০০৯ সালে ৭৫ বছর বয়সে তিনি বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্র্রহণ করেন।

বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রের সৌভাগ্য এতো বড় মাপের একজন নেতাকে অর্থমন্ত্রী হিসেবে পাওয়া। অল্পদিনের মধ্যেই  তিনি বাংলাদেশের মানুষকে জানিয়ে দিলেন তাদের আত্মপরিচয়। বাংলাদেশের মানুষ বুঝতে পারল কতোটা অসভ্য ও বর্বর তারা। তারা আরো বুঝতে পারল এক রক্তচোষার অধীনে ১৯৮৩ সাল থেকে এদেশের গ্রামের গরিব মানুষেরা বন্দী ছিল। এভাবে একের পর এক আত্মপরিচয় খুঁজে পাচ্ছে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ। সর্বশেষ বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের উম্মাদ পরিচয় খুঁজে পেয়েছে।

এখন হলো নোবেল পুরস্কার চাওয়ার ট্রেন্ড। আমি আমার দেশের অর্থমন্ত্রীর জন্য একটা নোবেল পুরস্কার চাচ্ছি।

Advertisements

10 thoughts on “চোর ছ্যাচ্চোড়, রক্তচোষা, উম্মাদদের দেশে আবুল মাল আবদুল মুহিত

  1. I really dont understand how can a man/mad like him can hold soo many important positions both in BD as well as in USA???????A very bold and naked manifestation that there is not something but everything wrong in the system both in BD and USA…that is why who deserves nothing are getting everything….

  2. আবুল মাল আব্দুল মুহিত কোন কলেজ/ভার্সিটি থেকে কোন বিষয়ে পাশ করেছিলেন..সেটা বিস্তারিত বললে মনে হয় ভালো হত।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s