আশ্চর্য নীরবতা নেমে এসেছে দেশে


দেশে আজ আশ্চর্য নীরবতা নেমে এসেছে। সবাই স্তব্ধ। শোকাহত। এমন নীরবতা, এমন স্তব্ধতা বাংলাদেশে বারবার আসেনি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নৃশংসভাবে জাতির পিতাকে হত্যার পর মানুষ এমনিভাবে নিস্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। শোকে ভেসে গিয়েছিল বাংলার মানুষ। কি হলো কীভাবে হলো মানুষের চোখেমুখে ছিল হাজারো প্রশ্ন। ব্লগার রাজীবের মৃত্যুতে মানুষের অন্তর শোকে ভারী হয়েছে। এতোদিনের শাহবাগ চত্বরে যেভাবে শ্লোগান দিয়েছিল প্রতিবাদী মানুষ। তাদের সেই শ্লোগান যেন আশ্চর্য নীরবতার মতোই আজকে ভারী শোনাচ্ছে। শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে বিদায় জানানো হলো ব্লগার রাজীবকে। তার কফিন জাতীয় পতাকা দিয়ে মুড়ে দেওয়া হলো।

আশ্চর্য নীরবতায় মানুষ কিন্তু নিশ্চুপ থাকে না। তাদের অন্তর কাঁদতে থাকে। প্রশ্ন করতে থাকে কেন, কীভাবে। এই নীরবতাকে ভেঙ্গে সত্যের আলোক জ্বলে উঠুক সেটাই আজকে সবাই চায়। জাতির পিতার হত্যার বিচারের মধ্য দিয়ে দেশে বিচার করার যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে তারই ধারাবাহিকতায় দেশে যু্দ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হয়েছে। প্রজন্ম চত্বরে সমবেত মানুষদের মতো দেশের আপামর জনগণ আশা করে রাজীব হত্যার বিচার দ্রুত হবে। সেসঙ্গে এই দেশের মানুষ আরো আশা করে আশ্চর্য নীরবতা ভেঙ্গে তারা আবারো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবেন।

প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে একটি ন্যায়নিষ্ঠ সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে সেই প্রত্যাশা সকলের। ‍সুষ্ঠু বিচার এবং উপযুক্ত শাস্তি হোক সকল অপরাধীর সেটাই এখন জাতির প্রত্যাশা।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s