সেক্স বিষয়ক তিনটি সত্যি কাহিনী


কাহিনী-১

মেয়েটা অঝোরে কাঁদছে। স্যারের মন গলাতে চাইছে। তার একটাই চাওয়া-তার স্বামী যেন ঘটনাটি না জানতে পারে। চাকরি চলে গেলেও ক্ষতি নেই। কিন্তু স্বামী যেন না জানে। স্বামী জানলে তার সংসার টিকবে না। স্যার তরুণীর দিকে তাকিয়েই ছিলেন। এবার ওকে ভালোভাবে দেখলেন, যেভাবে শক্তিশালী পুরুষরা মেয়েদের দেখে। সেই ভাবে। হঠাৎ মনে হলো রুমে থাকা অন্যরা তাকে দেখছে। স্যারের ভেতরের মন বললো দেখলে দেখুক। তাকে তো ভালোভাবে দেখতেই হবে কারণ সিদ্ধান্ত তো সেই দেবে। এবার মেয়েটির চোখের ভাষা পড়ার চেষ্টা করলো স্যার। কি আছে সেখানে? হঠাৎ স্যারের নিজেকে অজানা মনে হলো। ‘স্যার দুটোকেই বিদায় করে দেই’- সহকারীর কথায় স্যারের হুশ হলো। সংক্ষেপে উত্তর দিলো- ‘না’।

এবার পাশে দাড়ানো ছেলেটির দিকে চোখ স্যারের। আগের সেই কোমলতা নেই দৃষ্টিতে। সেই কঠিন চোখেই বোঝার চেষ্টা করলো কি আছে এই ছেলেটির মধ্যে যা এই বিবাহিত মেয়েটিকে আকৃষ্ট করেছে? ছেলেটার প্যান্টের জিপারের ‍কাছে চোখ আটকে গেলো। শার্ট দিয়ে পুরো জিপারটাই ঢাকা। তবুও যেন স্যার ভেতরটা দেখতে পাচ্ছে। যেভাবে সে খানিক আগে মেয়েটার সবকিছু দেখতে পেয়েছিল।

হঠাৎ-ই যেন সবকিছু তার কাছে পরিস্কার হয়ে গেলো। সিদ্ধান্ত দিয়ে দিলো। মেয়েটিকে ৩ নং বিল্ডিংয়ে আর ছেলেটিকে ২ নং বিল্ডিংয়ে দেয়া হয়। ভবিষ্যতে এমনটা হলে চাকরি চলে যাবে বলে সতর্ক করলো। মেয়েটি কৃতজ্ঞ চোখে এইচআরের বড় স্যারকে দেখছে।

ঘটনাটি ইপিজেডের। স্যার আমাকে যখন ঘটনাটি বললো। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, তারপর? স্যার বললো, তার আর পর নাই দোস্ত। কতো কাহিনী। সে দ্বিতীয় কাহিনী বলতে শুরু করলো।

কাহিনী-২
‘আমারে রবিন পাঠাইছে (ছদ্ম নাম)।’

‘জিনিস কই?’

‘মোবাইলে।’

‘দাও।’

‘প্রতি কপি ৫০ টাকা করে লাগবো।’

‘কিন্তু রবিন যে কইলো, ২০ টাকা করে।’

‘হের জিনিস আর তোমার জিনিস তো এক না। তোমারটার জন্য বেশি লাগবো।’ দোকানদার ছেলেটাকে দেখছে। মনে মনে ভাবছে টোপ গিলবে। গিলতেই হবে। প্রশংসা করেছে। প্রশংসায় সবাই খুশি হয়।

‘রবিনের গুলাও তো এই ধরনেরই ছিলো। রাহেন, আমি রবিনরে ফোন দেই’।

না, হিসেব মিলল ‍না। ‘ঠিক আছে রবিনের রেটেই করে দেবো। কয়টা করাইবা?’

মিরপুরের এক স্টুডিও মালিক বলছিলেন কথাগুলো। আজকাল মোবাইল ফোনে নানান কিসিমের ছবি তুলে আনে উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েরা। গার্মেন্টসে কাজ করা ছেলেমেয়েরাও আছে এই দলে। এগুলো প্রিন্ট করেই লাভ বেশি। তবে অভিজ্ঞতাটা নাকি তার পরিচিত স্টুডিওতে। নিজের না। আমি বিশ্বাস করেছি তার কথা।

কাহিনী-৩
“আমি ইচ্ছে করে করিনি। বিশ্বাস করছো আমার কথা?”

“বলো, শুনছি।”

“আগে বলতে হবে, বিশ্বাস করছো কিনা?”

“করছি।”

“বেশ। তাহলে শোন। ইন্টারনেটে নাম্বারটা পেয়ে ফোন দিলাম। ওপাশের মেয়েটি আমার গলা শুনে বোধহয় অবাক হলো। পরে জেনেছি ওটাই ছিলো তার প্রথম কোনো মেয়ের কাছ থেকে ফোন পাওয়া। সেদিন অনেকক্ষণ কথা হলো।” ‍সুখ (ছদ্ম নাম) থামল। আমাকে চুপ করে থাকতে দেখে বললো, “কি কথা হলো জানতে চাইবে না।”

“আচ্ছা সুখ তুমি তো জানো, গল্প শোনার সময় আমি খুব বেশি প্রশ্ন করি না। ‍তুমি বলো আমি শুনছি।”

“বেশ। রায়হানের (ছদ্ম নাম) সঙ্গে আমার ততোদিনে সম্পর্কটা চূড়ান্তভাবে তেতো হয়ে গেছে। মেয়েটা আমাকে তার ওখানে যেতে বললো। আমি গেলাম। তারপর অনেক কথা। তুমি কি সব শুনবে?”

“শুনছি তো?”

“বলো সব শোনার পর তুমি আমাকে ঘৃণা করবে না?”

আমি বুঝতে পারছি। আবার পারছি না। সুখ কি তবে? কতোখানি। কি কি করেছে। আমার মাথার মধ্যে ঝড় বইতে লাগলো। বাসায় আমি একা। বউ বাসায় নেই। সুখ আম‍ার বউয়ের বান্ধবী। রায়হানের সঙ্গে ওর ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। তবে কি আজকে আমার সেই দিন। যেদিনের অপেক্ষায় আমি। না, না, ছিঃ একি ভাবছি আমি। আমার কি ভীমরতিতে ধরেছে।

“তারপর?” আমি জিজ্ঞাসা করলাম। আমার বন্ধুটি বললো। দোস্ত আরেক কাপ চা খাবো। অগত্যা আমি চা বানাতে রান্নাঘরে। চুলায় পানিতে দুধ গুলিয়ে জ্বালটা কমিয়ে দিয়ে ফিরে আসার পর দেখি নিচতলা থেকে কাজ সেরে ওর বউ এসে বসেছে। সালাম দিয়ে বললো, জুয়েল ভাই কেমন আছেন? মনে মনে বললাম (আর কিছুটা সময় নিচে থাকলে কি হতো) মুখে বললাম ভালো্। তুমি চা খাবে?

(এই লেখা তিনটি আগেও ব্লগে ছাপা হয়েছিল বাস্তব সেক্স শিরোণামে।)

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s