‘খুনী’ ঐশীকে নিয়ে ১৭ বছরের ঈদিশতা যা বলল


সে খুন করেছে কিনা সেটাও কিন্তু আমরা জানি না। সে যদি খুন করে থাকে তাহলে, knowing her back story is most important. What influenced her to do this? I believe, the police should keep her somewhere safe while they dig up the facts. Moreover, the police should not be the ones talking to her. If they actually want to get information from her, she needs to talk someone who does not scare her.

– ঈদিশতা নবী

নিশ্চিত না হয়েই দেশের সকল মিডিয়া ঐশীকে ‘খুনী’ বলে দিয়েছে। এটা বলা যায় কিনা সেটা তারা বিবেচনা করেনি। অন্যদিকে, দেশের আইন অনুযায়ী ঐশী শিশু।

ঐশী প্রসঙ্গে দেশের মিডিয়া ও আইন রক্ষাকারী বাহিনী শিশু আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে চলেছে। এ ব্যাপারে ঐশীর কাছাকাছি বয়সী আমার মেয়ে- ঈদিশতা নবীর সঙ্গে আজকে সন্ধ্যায় কথা হচ্ছিল। সেই কথোপকথন হুবহু পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো।

আমি: ঐশীর ঘটনার ব্যাপারে তোমার কি মত?
ঈদিশতা: কি মত জানতে চাচ্ছো বাবা?

আমি: ওই যে মেয়েটা তার বাবা মাকে মেরে ফেলল বলে পত্রিকায় খবর বের হয়েছে, ওই ব্যাপারে তোর কি মত?
ঈদিশতা: সব মানুষই যা কিছু করে সেটা কোন একটাভাবে তার পেরেন্টের সাথে রিলেটেড। সেটা ফাবিয়া (৮ মাস বয়স) থেকে শুরু করে তুমি (গোলাম নবী) পর্যন্ত। সবাই তার পেরেন্টের এটেনশনের জন্য করে। সেটা পজেটিভ হোক আর নেগেটিভ হোক। Either to prove them wrong or make them proud; but this logic is not working here because she killed them.

আমি: তাহলে এখানে মেয়েটা কেন তার বাবা মাকে খুন করেছে বলে তুমি মনে করো?
ঈদিশতা: There must be more to this story. Maybe they were a quarrelsome family or there she had a friend who was excessively bad or perhaps she had some mental disorder. Nobody is saying anything with any real evidence, just forming theories.

আমি: পুলিশ তাকে রিমান্ডে নিলো সে ব্যাপারে তোর কি মত? তার বয়স ১৬ বছর। পত্রিকায় লেখা হচ্ছে যে, পুলিশ তার বয়স বাড়িয়ে তাকে রিমান্ডে নিয়েছে।
ঈদিশতা: This is the definition of crime. If police had taken her for questioning with valid law that would be fine. What is wrong with this country?

আমি: তোমার কি মনে হয়?
ঈদিশতা: The people of authority are lazy and make comments without proper evidence.

আমি: পুলিশের কি করা উচিৎ? তারা কিভাবে এই কেস নিয়ে আগাবে?
ঈদিশতা: They need to understand the background of this case. They should start by talking to the family members of parents, such as her uncles, aunts and grandparents to gather information. Like when did Oishee start getting involve with drugs and parties, what was her relationship with her parents, who were her close friends, who did she party with/ do drugs with, etc.

আমি: এগুলো জানলে পরে কি হতে পারে?
ঈদিশতা: The police will be able to understand the situation better. Nobody kills their parents for no reason.

আমি: পত্র পত্রিকায় তো কারণ বলেছে যে, তাকে তার বাবা-মা ঘর থেকে বের হতে দিচ্ছিল না।
ঈদিশতা: Then every teenager should be killing his or her parent’s every day. This should become a common story in the news.

আমি: তারমানে তুমি বলতে চাচ্ছো যে, শুধুমাত্র বাধা দেওয়ার জন্য সে খুন করতে পারে না?
ঈদিশতা: না।

আমি: তুমি কি জানো কিভাবে খুন করা হয়েছে?
ঈদিশতা: Yeah. Sleeping pill and then stabbed.

আমি: তোমার কি মনে হয় ১৬ বছরের একটা মেয়ে এভাবে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বাবা মাকে ছুরি দিয়ে মারতে পারে?
ঈদিশতা: Of course not! That’s what I am saying. There is more to this story. I do not believe that a normal, mentally stable sixteen year old can do such a thing.

আমি: তাইলে কি তোমার মনে হয় যে, মেয়েটাকে মানসিক রোগের ডাক্তার দেখানো উচিৎ?
ঈদিশতা: হ্যা। You have to find out more about this girl.

আমি: একারণেই তো পুলিশ তাকে রিমান্ডে নিয়েছে?
ঈদিশতা: Since it clearly says in law that you can’t take remand a sixteen year child, they need to find other ways to dig out the facts.

আমি: তাহলে এটা কিভাবে সমাধান করা যেতে পারে?
ঈদিশতা: She should be kept in Juvenile correction center while the police investigate the case.

আমি: তোমার কি মনে হয়, এই যে মেয়েটা বখে গেলো সেটা কেন?
ঈদিশতা: I have no idea. There could be million reasons.

আমি: তোমার তো এই বয়সী বন্ধুবান্ধব আছে। কিংবা টিভিতে অনেক কিছু দেখো। তোমার কি মত?
ঈদিশতা: Literally, there are thousands of reasons. It is not that there is only one big reason; more as though there were maybe twenty small reasons, which lead up to this. It is the police’s duty to find out these reasons.

আমি: এখানে সোসাইটির ভূমিকা তুমি কিভাবে দেখো?
ঈদিশতা: There is no role from the society.

আমি: ফ্যামিলির রোল?
ঈদিশতা: Completely.

আমি: কি ধরনের?
ঈদিশতা: Upbringing.

আমি: ব্যাখ্যা করবা।
ঈদিশতা: A child’s values, attitude and believes are influenced by their parents. Obviously there is huge difference between her values & believes and values & believes of her parents. Thus, her involvement in drug – something her parents strongly oppose. Parents are to shape the way their child thinks.

আমি: মেয়েটা ২ বছর আগে থেকেই নাকি পার্টিতে যাচ্ছে। ইয়াবা খাচ্ছে। অবশ্য ওর বাবা মা জেনেছে মাত্র তিনমাস আগে।
ঈদিশতা: This is the core problem.

আমি: কি রকম?
ঈদিশতা: There are three main reasons that I see for going to parties and doing drugs. These are- either your friends are doing it so you want to; or you are trying to escape from something; or you are trying to get your parents’ attention. It appears that her parents were too busy pay proper attention to her in the past. In 8th grade, she finally had enough and saw a chance to do something that would get her parent to notice.
Parents are supposed be more attentive towards their children.
When they found about this 3 months ago, because they finally paying attention, they suddenly thought that they have this right to go and tell her what to do and not to do; something they should’ve been doing for the last two years. But she probably felt that they have no right to say anything, since they weren’t there when she needed them. Also, by now she has developed her dependency on drugs and parting as both are equally addictive. Provided that the information in the newspapers are true.

আমি: পত্রিকায় এভাবে খবর প্রকাশ করাটাকে তুমি কিভাবে দেখো? কারণ তুমি বললে যে, সোসাইটির রোল নেই। তাহলে পত্রিকাগুলো কার জন্য লিখছে? তাছাড়া আইন অনুযায়ী এভাবে খবর প্রকাশ করা যায় না। যেখানে মেয়েটা আইন অনুযায়ী শিশু। তার পরিচয় ও ছবি প্রকাশ করা যায় না।
ঈদিশতা: Interesting news make cover story, so it appears that this was simple a business venture. But, if it says that in the law, then the media should follow the law.

আমি: তাহলে তুমি পত্রিকায় প্রকাশ করাটা সাপোর্ট করছো?
ঈদিশতা: If law prohibits it, then I do not. Laws need to be enforced; otherwise, people will break the law for their personal benefit. In this case, the print and electronic media are taking this opportunity to increase business.

আমি: কিন্তু একথাও তো ঠিক যে, পত্রিকায় প্রকাশ করা না হলে আমরা জানতে পারতে না।
ঈদিশতা: I doubt anyone would be harmed by not knowing about this. We cannot play a role in correcting her values. Her parents played the biggest role in her upbringing.

আমি: তারমানে কি, তা বাবা মা তাদের নিজেদের দোষে মারা গেছেন?
ঈদিশতা: Yes. Well, in a way.

আমি: তারমানে কি তুমি ওর ‘খুন’ করাকে তুমি সমর্থন করছো?
ঈদিশতা: না, সমর্থন করছি না। তাছাড়া সে খুন করেছে কিনা সেটাও কিন্তু আমরা জানি না। সে যদি খুন করে থাকে তাহলে, knowing her back story is most important. What influenced her to do this? I believe, the police should keep her somewhere safe while they dig up the facts. Moreover, the police should not be the ones talking to her. If they actually want to get information from her, she needs to talk someone who does not scare her.

আমি: এই ঘটনা প্রসঙ্গে তুমি কি আর কিছু বলতে চাও?
ঈদিশতা: In conclusion, police should be trying to build the most detailed backstory they possibly can while the girl is kept secure. Also, parents should know how to be more attentive to their children or they might killed in their sleep.

Advertisements

7 thoughts on “‘খুনী’ ঐশীকে নিয়ে ১৭ বছরের ঈদিশতা যা বলল

      • মন্তব্য । আপনার মেয়ে যদি এতকিছু বুঝে বলতে পারে, খুন করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেবার আগে সে অবশ্যই কিছু ভেবেছে । যেভাবে খুন হয়েছে, তাতে তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্তে করা হয়েছে বলে মনে হয় না । সে যতটুকু বাইরে যাবার সুযোগ পেয়েছে, খুনের alternative তার জানা থাকার কথা ছিল । and if she was sick, it was not only her parents who would notice it. girls at that age doesnot share a whole lot with family. so, the responsibility is not only theirs. i know how much i used to communicate with my parents when i was 16/17. yet, at that age, i knew what i was doing.

        Maybe (just my thought) she was planning what to do after what she did but her friends(or parts of plan) didn’t go accordingly and she had to surrender. if she was sick enough, she might have stayed there.

        There is a book i am reading right now , http://www.amazon.co.uk/Master-His-Emissary-Divided-Western/dp/0300188374 , explains when part of brain is shut down people can do things they didn’t imagine to do. now, drags may have caused such permanent or temporary shutdowns. But siill, taking drags were her own choice. i would say choice because i have seen my friends transforming being good to taking drags everyday. and there are some like me who didn’t. It WAS a choice.

  1. Nabi Bhai, Where does your daughter go to school? Looks like she hardly speaks Bangla at home, that’s not good. You kept asking questions in Bangla but she kept on talking in English, doesn’t seem to be a nice conversation between a father and a daughter. But over all she kept her focus, she knows what she is talking about. Very intelligent, informative and interesting conversation. You must be very proud of her. the days have gone to yell and lock up your daughter. We all have to open up to our child, so we know when they are taking the wrong steps in life. Very first step is very crucial in life.

  2. অফ টপিক: আপনি লিখেন বাংলায়, আপনারা বাংলাদেশ চিন্তা দেখে দিন শুরু করি এবং শেষ ও করি। বুঝতে পারলাম না, আপনার মেয়ের উত্তরগুলো কেন ইংরেজিতে! আপানার মেয়েকে কি বাংলা শিক্ষা দেন নাই? নাকি এইখানে শো-অফ করলেন?

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s