ভক্তদের বয়ানে আশ্রমের যৌন চিত্র


এটা একটা ইনডিয়ান আশ্রমের ছবি। ইনডিয়ার বড় বড় আশ্রমগুলো সুযোগ সুবিধার দিক থেকে ফাইভ স্টার হোটেলের সমকক্ষ। কিন্তু থাকার খরচ তিন ভাগের এক ভাগ। তবে কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়।

এটা একটা ইনডিয়ান আশ্রমের ছবি। ইনডিয়ার বড় বড় আশ্রমগুলো সুযোগ সুবিধার দিক থেকে ফাইভ স্টার হোটেলের সমকক্ষ। কিন্তু থাকার খরচ তিন ভাগের এক ভাগ। তবে কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়।

মুক্ত যৌনতার অভয়স্থল হলো আশ্রম, এমনটাই কেউ কেউ মনে করেন। বিখ্যাত আধ্যাত্মিক গুরু রজনীশ বলেন, অন্ন, বস্ত্র ও আশ্রয়ের পর মানুষের চতুর্থ মৌলিক চাহিদা হলো সেক্স। তিনি আরো বলেন, সেক্স উভভোগ করার বিষয়। শুধুমাত্র পারফর্ম করার বিষয় নয়।

রজনীশ ভক্তরা মনে করেন গুরু রজনীশ সেক্স উপভোগের কথা যে বলেছেন সেটা গভীর বোধ দ্বারা উপলব্ধি করার বিষয়। কিন্তু কারো যদি সেই বোধ না থাকে এবং সে যদি বিষয়টিকে নেহায়েত চাহিদা হিসেবে দেখে তাহলে সেক্স তার কাছে রজনীশ যেভাবে বলেছেন সেভাবে ধরা না দিয়ে অন্যভাবে ধরা দেবে। তখন ওই লোক তার কাছে আসা সকল নারীকে ‘যৌন বস্তু’ হিসেবে দেখতে শুরু করবে। গুরু রজনীশের আশ্রমকে তার মনে হবে হোটেল। যেখানে নারীকে ভোগ করা যায়। তখন আশ্রমের বাইরে যৌনকর্মীর সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে সেক্স করার সঙ্গে তার কোন পার্থক্য সে দেখতে পাবে না।

এক স্পেনিশ ভক্ত আশ্রম ঘুরে গিয়ে বলেছেন যে, ‘আমি আশ্রমে অনেক সেক্স করেছি। ইয়োগা ট্রেনিং শেষ হলে প্রশিক্ষনার্থীরা নিজেদের মধ্যে সেক্স পার্টনার খুঁজে নিতে পারে। এবং যতোদিন খুশি আশ্রমে থাকতে পারে। আমাদের সঙ্গে এক ইসরাইলী মেয়ে ট্রেনিং নিয়েছিল। ট্রেনিং চলাকালেই সে আমাকে দুইবার তার সঙ্গে শুতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। আমি রাজী হইনি। আমি তাকে বলেছি যে, আমি ইনডিয়াতে এসেছি নিজের অন্তরের শক্তি খুঁজে পেতে। আমি তাকে বলিনি যে, আমি আসলে সমকামী। এবং গুরুর সঙ্গে এরই মধ্যে আমার সেক্স হয়েছে।’

স্পেনিশ এই ভক্ত বলেনি যে, সে কোন আশ্রমে গিয়েছিল। কিন্তু এটা লিখেছে যে, সে ঋষিকেশের একটি আশ্রমে গিয়েছিল। হিন্ট হিসেবে বলেছে যে, ওই আশ্রমের পাশেই একটি বড় হাসপাতাল আছে যেখানে গরিব রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ‍সুবিধা দেওয়া হয়।

২৬ বছর বয়সী এক নারী ভক্ত ৭৩ বছর বয়সী গুরুর সঙ্গে সেক্স করাকে গুরুর নয় তার নিজের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, আমি আসলে এক ধরনের থ্রিল অনুভব করছিলাম। আর কিছুটা কনফিউজডও ছিলাম।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গুরুর সঙ্গে সেক্সের জন্য নারী ভক্তরা গুরুকে নয় নিজেদের দোষী ভাবেন। তবে এই দোষী ভাবাটা তখন তখনই ঘটে না। কারো কারো বেলায় এটা কয়েক বছর এমনকি যুগ পেরিয়ে যায়। তারপর একদিন তারা নিজেদের দোষী ভাবতে শুরু করেন তখন তার মধ্যে মনোবৈকল্য দেখা দেয়।

এবিষয়গুলো গুরুরা বোঝেন। আর বোঝেন বলেই তারা সুযোগ নেন। এভাবেই যৌনতাড়িত গুরুদের দীক্ষা চলতে থাকে আশ্রমকে ঘিরে। তবে সব গুরু এমন নন।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s