সেক্স দৈত্যকে বোতলে ছিপি আটকাতে না পারলে খবর আছে!


ছবি ক্রেডিট: http://ww.itimes.com/

ছবি ক্রেডিট: http://ww.itimes.com/

ফেসবুকে বাছাই

পুলিশ আগ্রার অভিজাত এলাকা কমলা নগরে রোববার সন্ধ্যায় হানা দিয়ে তিনজন যৌনকর্মী, একজন নারী সরবরাহকারী এবং চারজন খদ্দেরকে আটক করে। ফেসবুক পেইজ ব্যবহার করে এরা যৌনব্যবসা চালিয়ে আসছিল। খদ্দের জোগাড় করার অন্য কোন তরিকা তাদের নেই। ফেসবুকে দেওয়া ছবি থেকে খদ্দের তার পছন্দের যৌনকর্মীকে বাছাই করার পর শহরের বিভিন্ন স্থানে তাদের যৌনমিলনের ব্যবস্থা করা হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নগদ অর্থ ও কনডমও উদ্ধার করে।

পুলিশকে খবর দিয়েছিল প্রতিবেশীরা। ফ্লাটের বাসিন্দাদের সন্দেহজনক চলাফেরা থেকেই পুলিশকে জানানো। তারপর তো সব ফাঁস!

যত্রতত্র প্রেম
দিল্লীর মেট্রো ট্রেনের মধ্যে শারীরিক প্রেমের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর ভারতের গণমাধ্যমগুলো আরো কোথায় কোথায় প্রেম চলে সেনিয়ে খোঁজ খবর লাগায়। সেই সূত্রেই বের হয়ে আসে যে, ভারতের এটিএম বুথগুলোতে কেউ কেউ শারীরিক প্রেমে লিপ্ত হয়। প্রথমে একটা এটিএম বুথের সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনাটা জানার পর দেখা গেলো হাজার হাজার বুথে এমন ঘটনা হরহামেশা ঘটছে।

কেন এটিএম বুথে এমন প্রেম, সেই ব্যাখ্যা প্রকাশ হতে লাগল পত্র-পত্রিকায়। সেখান থেকে মজার মজার সব ব্যাখ্যা পাওয়া গেলো। কেউ কেউ লিখল যে, এটিএম বুথগুলোতে এসি লাগানো থাকে। আর এসি লাগানো থাকে বলে কাঁচের দরজায় কালো কিংবা অন্য কোন রংয়ের প্লাস্টিক শিট লাগানো থাকে যাতে বুথের তাপ বেশি করে ধরে রাখা যায়। আর এই আড়াল ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থাই তরুণদের প্রলুব্ধ করে শারীরিকভাবে কাছাকাছি হতে!

সাংবাদিকদের অনুসন্ধান থেকে আরো জানা গেলো যে, কেউ কেউ এটিএম বুথের গার্ডদের অর্থকড়ি দিয়ে হাত করে নেয়। গার্ডরা তখন ‘এটিএম নষ্ট’ সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়ে ভেতরের প্রেমলীলায় সহায়তা করে।

এসব ঘটনা প্রমাণ করে ভারতে বিশেষ করে বড় বড় শহরগুলোতে সেক্সের চাহিদা যেভাবে বাড়ছে সেই অনুপাতে সুযোগ সুবিধা বাড়ছে না। সমাজ সচেতনরা দাবী করেন ভারতের বড় বড় শহরগুলোর পত্র-পত্রিকা কিংবা ওয়েবসাইটে নিয়মিতভাবে ম্যাসাজ কিংবা অন্য কোন সেবার নামে যৌন সেবার আমন্ত্রণ থাকে। এমনকি ভারতে এখন বিদেশী যৌনকর্মীদের বড় বাজার তৈরি হয়েছে। তারা শর্ট ট্রিপে ‍টুরিস্ট ভিসায় এসে কয়েকদিন পরে ফিরে যায়। ফলে, যারা মনে করেন দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বাধ্য করা হচ্ছে মাত্র তারা ভুল। ফান করতে কিংবা প্রমোশন বাগাতে বিত্তশালী পরিবারের সদস্যরাও এখন এসব কাজে জড়িয়ে যাচ্ছে।

যারা ভারতীয় আশ্রম নিয়ে আমার আগের লেখাগুলো পড়েছেন তারা জানেন কিভাবে আশ্রমকে ঘিরে কোন কোন সাধু যৌনবাণিজ্যের বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। যেমন, বাবা বিমানন্দ দিল্লীতে বড় আকারের সেক্স ট্রেড গড়ে তুলেছেন যেখানে সমাজের হোমড়া চোমড়ারা খদ্দের হওয়ায় ছিপির মুখ বন্ধ করা যাচ্ছে না।

চলবে ………….

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s