যৌনকর্মী সাপ্লাই দিয়ে স্বামী বিমানন্দের কমিশন দিনে আড়াই লাখ রুপি


ধরা পড়লে লজ্জায় মুখ ঢাকে অনেকেই!
ধরা পড়লে লজ্জায় মুখ ঢাকে অনেকেই!
বাবা বিমানন্দ গ্রেফতার হওয়ার পর দিল্লীর সেক্স বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন অনেক তথ্য বের হয়ে এলো। তবে যা কিছু জানা গেলো সবই পুলিশের বরাতে। সেকারণে অনেকে মনে করেন যতোটুকু জানা গেছে সেটা পুরোটা নয়।

ধারণা করা হয় স্বামী বিমানন্দ একমাত্র বড় কাতলা যিনি ধরা পড়েছেন। আর বাকিরা পুটি মাছ।

তাছাড়া দিল্লীর সেক্স মার্কেট পুরো ভারতের যৌন সাম্রাজ্যের অংশ মাত্র। অনেকটা টাইটানিক ডুবেছে যে বরফের পাহাড়ে ধাক্কা খেযে তেমন একটা কিছু। যার উপরটা দেখা গেলেও নিচে কতো বড় বরফের পাহাড় ছিল সেটা বোঝা যায়নি। দিল্লীর সেক্স মার্কেট অনেকটা তাই। ভারত যে কয়টা কারণে টাইটানিকের মতো ডুবতে পারে। কিংবা দু চার টুকরো হতে পারে তেমন একটা কারণ হলো সেক্স!

সেক্স ভারতের সমাজকে গিলে খাচ্ছে যেন!! সেখানে কে গুরু আর কে শিষ্য সেটা আটলান্টিকের তল খুঁজে পাওয়ার মতো বিষয়। ভারত বড় দেশ। ডুবতে সময় লাগবে। কিন্তু প্রতিবেশী বাংলাদেশ কিংবা নেপাল ছোট দেশ। যাদের ভয় বেশি। অনেকে অবশ্য দাবী করেন, সেক্সের ক্ষেত্রে ভারতের পথে বাংলাদেশ হাটবে না। কারণ এইচআইভি এইডসের ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বে দুই নাম্বারে থাকলেও বাংলাদেশ ওপথে হাটেনি। বাংলাদেশে ভারতের প্রায় সমসাময়িককালে প্রথম এইডস রোগী শনাক্ত হলেও বাংলাদেশ তার সামাজিক ও ধর্মীয় অনুশাসনের কারণে এইচআইভি ভাইরাসের প্রসার থেকে রক্ষা পেয়ে আসছে। কিন্তু ভারতীয় ট্রাকের ও গাড়ি ঘোড়ার অবাধ অনুপ্রবেশের যে ব্যবস্থা বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার করতে যাচ্ছে তাতে কতোদিন বাংলাদেশ নিরাপদ থাকতে পারবে কে জানে? ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভার ও নৌচালকদের জন্য বাংলাদেশে ভারতীয় স্টাইলে সোনাগাছি কিংবা বাংলাদেশী বাণীশান্তার মতো আরো যৌনপল্লী গড়ে উঠতে থাকলে বাংলাদেশের মতো ছোট্ট ভূখন্ড ঝুঁকিগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারে।

যাই হোক। যা বলছিলাম। ভারতীয় সেক্স ইন্ডাস্ট্রি যারা চালান তাদের পে রোলে বিদেশী সেক্স ওর্য়াকাররাও রয়েছেন। আর এই চক্র শুধু দিল্লীতে সীমিত নয়। দুবাই, বাহরাইন, কাতারের মতো দেশগুলো যেমন সেই চক্রের অংশ সেখানে ইউক্রেন, উজবেকিস্তানের মতো দেশও রয়েছে।

কয়লা খনিতে শ্রমিক সরবরাহ করে যেমন অর্থ কামাই করা যায়। বিদেশে আদম পাঠিয়ে যেভাবে অর্থ কামাই করা যায় তেমনি কামুক পুরুষদের জন্য নারী সরবরাহ করেও অর্থ কামাই করা যায়। সেই অর্থে পলিটিশিয়ানদের ভাগ থাকলে ওই বাণিজ্যকে কে ঠেকায়!

পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যায় যে, সাধু বিমানন্দের লিস্টে প্রায় ২০ হাজার যৌন কর্মী ছিল। যাদের রেট বেশ চড়া। দুই ঘণ্টার এক ট্রিপের জন্য ৫০০০ থেকে ৮০০০ রুপি। সারারাতের জন্য (৮ ঘণ্টা) ২৫ হাজার রুপি। আবার দুই ঘণ্টায় দুই ট্রিপের জন্য ৮০০০-১০০০০ রুপি। চার ঘণ্টায় দুই ট্রিপ হলে সেটা ১৫০০০ রুপি। তবে সাধু বিমানন্দের সুনাম ছিল যে, সে তার মেয়েদের ওভারটাইম ও নিয়মিত ছুটি দিতো।

স্বামী বিমানন্দের উত্থান আমাদের দেশের আওয়ামী লীগের মন্ত্রী এমপিদের ছত্রছায়ায় ব্যাংকের অর্থ লুটেরা হলমার্কের মতো। ৩৯ বছর বয়সী এই সাধু বিমানন্দ ১৯৮৮ সালে দিল্লীতে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে তার কেরিয়ার শুরু করেছিল। ১৯৯৭ সালে তাকে যৌনকর্মীদের দিয়ে ব্যবসা চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সে ধর্মের আড়ালে যৌন ব্যবসা চালাতে শুরু করে। নিজের প্রকৃত নাম শিব মুর্তি বেদী বদলে স্বামী বিমানন্দ নাম ধারণ করে। শুধুমাত্র কমিশন হিসেবেই প্রতিদিনের আয় দাড়ায় প্রায় আড়াই লাখ রুপি।

চলবে ………..

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s