আপনাদের অবাক হতেই হবে!


আপনারা আজকাল আর কিছুতেই অবাক হন না। আমি বাজি ধরেছি (নিজের সাথে) আপনাদের অবাক করে ছাড়ব। আমি নিশ্চিত আমি এখন যে তথ্যটি দেব তাতে আপনারা অবাক হবেন। তারপর রাগে দুঃখে ক্ষোভে নিজের চুল ছিড়বেন। আমি আরো নিশ্চিত যে, যাদের মাথায় আমার মতো প্রায় শূন্য চুল তারা চুল ছিড়তে সাহস করবেন না!!

ভূমিকা দেওয়া শেষ। এবার খবর দেওয়ার পালা। তবে তার আগে একটা প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করছে। আপনি কি আপনার ইন্টারনেট স্পিড নিয়ে খুশি? আপনাদের উত্তর যাই হোক না কেন আমার খবরের তাতে কোন পরিবর্তন হবে না। মানে কিছুই যায় আসে না। আপনাদের দৌড় আমার জানা আছে। কারণ আমি নিজেও আপনাদেরই একজন। এখনো পর্যন্ত ব্লগে আর ফেসবুকে রাজা উজির মারি! আর স্বপ্ন দেখি একদিন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে জনস্বার্থ বিরোধী সকল কর্মকান্ডের কবর রচনা করে দেব। দেশের মালিক জনগণ কথাটা বইয়ের পাতা থেকে বের করে এনে বাস্তবে এমনভাবে বসিয়ে দেব যে, জনগণ আর একথাটা মুখেও আনবে না। :পি

আমি বুঝতে পারছি আপনারা বিরক্ত হচ্ছেন। কারণ ফ্যাদা প্যাচাল পাড়ছি। দুঃখিত!

কাজের কথাটা বলে ফেলার আগে একটা প্রশ্ন করি! রাগ কইরেন না!! প্রশ্নটি হলো- আপনি প্রতিমাসে ইন্টারনেট বিল বাবদ কতো টাকা খরচ করেন? ২৫০ টাকা? ৩০০ টাকা? ৪০০ টাকা? ৫০০ টাকা? ১০০০ টাকা? ১৫০০ টাকা? কতো?

আচ্ছা ধরে নেই একজন ব্যবহারকারী মাসে গড়ে ৩০০ টাকা ইন্টারনেটের জন্য খরচ করে। এক হিসেব মতে, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩ কোটি ১৫ লাখ। তাহলে গড়ে ৩০০ টাকা হিসেবে মোট খরচ হলো ৯৪৫ কোটি টাকা। সরকার এর উপর ভ্যাট পাচ্ছে ১৫ শতাংশ হারে মাসে ১৪১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। তাহলে বছরে ভ্যাট বাবদ সরকারের আয় হচ্ছে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

বিনিময়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ শ্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ সরকার আমাদেরকে যে সেবা দিচ্ছে সেটা অত্যন্ত নিম্নমানের। অথচ ইন্টারনেট এখন আর বিলাসিতা নয়। মানুষের মৌলিক চাহিদার অংশ হয়ে গিয়েছে। আওয়ামী লীগ দল হিসেবে সেকথা স্বীকারও করে। যেকারণে মাত্র কয়েকদিন আগেও প্রধানমন্ত্রীর তনয় ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিষয়ক ‍উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয় বলেছেন যে, তারা যদি আবারো ক্ষমতায় আসতে পারে তাহলে জনগণকে অল্প দামে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ করে দেবে। তিনি আরো বলেছেন যে, ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের দাম কমিয়ে দেবেন।

প্রশ্ন হলো আবার ক্ষমতায় এসে কেন কমাতে হবে? এখনই কেন নয়?

আপনাদের একটা তথ্য দেই।

আওয়ামী লীগের অত্যন্ত আস্থাভাজন পত্রিকা জনকণ্ঠে প্রকাশিত এক রিপোর্টে দেখা যায় যে, বাংলাদেশে ২৬০.৬ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ রয়েছে। আর সেই ব্যান্ডউইথ থেকে আমরা মাত্র ১৭ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করছি। বাকি ব্যান্ডউইথকে আমরা অব্যবহৃত রেখেছি!! যখন আমাদের পেটে খিদে তখন ফ্রিজ ভর্তি খাবার রেখে আমরা কেন অভুক্ত থাকছি? প্রশ্ন হলো কার স্বার্থে?

আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশনের রুল অনুযায়ী ব্যান্ডউইথের মালিক জনগণ। রাষ্ট্রের দায়িত্ব এর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করা। যাতে করে জনগণ শুধুমাত্র তার আর্থিক সামর্থ্যের কারণে তার সম্পদ ভোগ করা থেকে বঞ্চিত না হয়। ডিজিটাল ডিভাইড বা ডিজিটাল বৈষম্য যাতে একটি দেশের মধ্যে তৈরি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা সরকারের দায়িত্ব। প্রশ্ন হলো- আওয়ামী লীগ সরকার কি সেই দায়িত্ব পালন করেছে? তারা কেন ২৪৩ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ অব্যবহৃত রেখেছে? জনগণের সম্পদ জনগণের হাতে কেন পৌঁছে দিচ্ছে না?

ক্ষমতাসীনদের কাছে জবাবদিহিতা চাওয়ার গণতান্ত্রিক অধিকার জনগণের রয়েছে। তাছাড়া, আওয়ামী লীগ ‘দিন বদলের সনদ’ নামের নির্বাচনী ইশতেহারে দেশের মানুষের কাছে ওয়াদা করেছিল জবাবদিহি করার। তারা বলেছিল, সকল কাজে স্বচ্ছতা আনবে। জনগণের দেশ জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ করার অঙ্গীকার করেছিল তারা। এই অবস্থায় জনগণ ডিজিটাল বাংলাদেশের অন্যতম চালিকাশক্তি ইন্টারনেটের গতি নিয়ে কথা বলতেই পারে। জানতে চাইতে পারে, কেন ব্যান্ডউইথ রেখে দিয়ে জনগণকে কষ্ট দেওয়া হচ্ছে?

আজকে জনকণ্ঠে লিখেছে যে, বছরে মাত্র ৮০ কোটি টাকার বিনিময়ে ভারতের জনগণের জন্য ১০০ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করা হবে। আপনি ভুল পড়েননি। মাত্র ৮০ কোটি টাকায় আমাদের দেশের জনগণের অধিকার বিক্রি করা হবে ভারতের কাছে। অথচ আমাদের দেশের জনগণ বর্তমানে যে দামে ব্যান্ডউইথ কিনছে তাতে ১০০ গিগাবাইটের দাম হয় ১০ হাজার কোটি টাকা।

কি বলেছি না, আপনাকে অবাক হতেই হবে। পেরেছি আমার কথা রাখতে? ভালো থাকবেন।

………………………………………………………………………………………………………

পুনশ্চ: ডিজিটাল বাংলাদেশ শ্লোগান দিয়ে জনগণের ভোট নিয়েছিল আওয়ামী লীগ। জনগণের ভোটের মর্যাদা তারা দেয়নি। তারা বলছে আবার ক্ষমতায় এলে ব্যান্ডউইথের দাম কমাবে। যেমনটা তারা বলছে যে, আবার ক্ষমতায় এলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যকর করবে।

এদিকে, যে ব্যান্ডউইথ এদেশের জনগণ কিনছে ১০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে সেই ব্যান্ডউইথ মাত্র ৮০ কোটি টাকায় ভারতকে দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশের মানুষের চেয়েও ভারতের মানুষ আওয়ামী লীগের কাছে বেশি প্রিয় হয়ে গেলো?

আমি বিশ্বাস করতে চাই জনকণ্ঠে আজকে যে খবর প্রকাশিত হযেছে সেটা ভুল। এমন কেউ কি আছেন যিনি আওয়ামী লীগকে বোঝাবেন যে, আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে বাধ্য করেছিলেন ভারতীয় সেনাদের বাংলাদেশের ভূখন্ড থেকে ফিরিয়ে নিতে। তিনি বড় প্রতিবেশীর পাশে মাথা উচুঁ করে কিভাবে থাকতে হয় সেটা তার বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে দেখিয়েছিলেন। তার গড়া আওয়ামী লীগের আজকে এই অধঃপতন কেন? এই দেশের মানুষ যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছিল। ৩০ লাখ শহীদের রক্তে স্বাধীন হওয়া দেশ কেন মাথা নত করবে? স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদান ছিলো বৈকি। তারা আমাদের ১ কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছিল। একাধিক সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ভারতের ভূখন্ডে স্থাপনের সুযোগ করে দিয়েছিল। প্রায় দুই লাখ যোদ্ধাকে নিয়মিত বেতন ভাতা দিয়েছে। সেজন্য আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার সেই ঋণ শোধের জন্য অনেক কিছুই করেছে। সম্প্রতি নদীতে বাধ দিয়ে আমাদের রাস্তার সহন ক্ষমতার অতিরিক্ত ভারবাহী লরি দিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সরঞ্জাম কোলকাতা থেকে ত্রিপুরায় নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। পানির হিস্যা ঠিকমতো বুঝে না পেয়েও উচ্চবাচ্য করেনি। সুন্দরবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে জেনেও কয়লাভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেছে। সীমান্তে ফেলানীসহ বাংলাদেশীদের মৃত্যুকে মেনে নিচ্ছে। বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পে ভারতীয় মালিকানা তৈরির পরিবেশ করে দিয়েছে। এতো কিছুর পরও পানির দামে ২০ বছর মেয়াদী নবায়নযোগ্য চুক্তিতে ব্যান্ডউইথ দিতে হবে?

18 comments

  1. অবাক হইনাই। এই ঘটনাটা অনেক আগে থেকেই জানি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে সব পিএসটিএন অপারেটরকে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার অভিযোগে বন্ধ করেছে। যার অনেক কিছুই ছিল সাজানো নাটক। টেলিকম অপারেটরদের থেকে বড় অংকের জরিমানা আদায় করে তাদেরকেও কোনঠাসা করে রেখেছে। এই সবই করা হয়েছে জয় সাহেবকে রাস্তা পরিস্কার করে দেবার জন্যে। জয় সাহেব এই ব্যন্ডউইথের একচেটিয়া ব্যবহারকারী সিন্ডিকেটের লিডার। এদেশে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার হর্তাকর্তাও এই প্রযুক্তি বিশারদ। মিন্টু রোডের প্রায় সব বাড়ির গ্যারেজে বা চিলেকোঠায় খুঁজলেই ভিওআইপির সেটাপ মিলবে ভুড়িভুড়ি। কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধতে কে যাবে ?

    তারেক, কোকো, মামুন, বাবর এরা এদের আমলে দূনীতি করেছে এবং মাইনাস টু ফর্মূলার সুযোগে আওয়ামী লীগ এদেরকে পুঁজি করে বেশ ফায়দা লুটেছে। এখন প্রশ্ন হল সরকার বদলে গেলে জয় সাহেবের কি পরিনতি হবে ? অবশ্য তিনি আমেরিকা ছেড়ে এই দেশে পুলিশের ডলা খেতে আসবেন না এটা পাগলেও বোঝে। কিন্তু প্রতিশোধের রাজনীতি অনেক ভয়াবহ পরিনতি ডেকে আনবে।

    এই যে, এতসব অভিযোগ করলাম। এর কোন প্রমান নেই। রাজনীতির নোংরা কাঁদা মাখামাখির খেলায় প্রমান সব কাঁদায় ঢেকে থাকে। তবে, সচেতন জনগন মাত্রই জানে যে, কোথায় কি হচ্ছে। শুভঙ্করের ফাঁকিটা কোথায় বা কে দিচ্ছে।

    • Yes lot of people understand all these.Nody wanted to take life risk.I think , we have to overcome that fear.We have to inform and make mass people aware about all these now. I think this is the right time to raise our voice and keep sending the messege to all the corners.Ask all type of Media and our people in abroad to raise voice about all issues (including this one) related to our national interest.Every body from their position to do their best.Thanks.

  2. এই চোরামি আমি আগেই জেনেছি। এ দেশ শুধু চোরের দেশ নয় এটি চাটুকারের দেশ আর আমরা মিরজাফরের বংশধর। শুদ্ধি অভিজান না চালালে আগামী ১০ বছরের মধ্যে এ দেশ ভারতের তাবেদার হবে। আওয়ামীদের ঔরসে প্রতিদিন তাবেদার পয়দা হচ্ছে যারা আমাদের দেশের চেয়ে ভারতের দুঃখ অভাব বেশী বোঝে। জয়ের কি দোষ বলেন সে বেচারাও তো জন্মের কারনে এ সমস্যায় নিপাতিত। হয় আমাদের দেশত্যাগ করতে হবে, বা এদেশে থাকলে মরতে হবে, না হয় তাদের নিরমুল হতে হবে।

    • Right you are. After all these we have to do our part. Raise your voice and make more and more people aware of this issue.By any means we have to prevent such dirty acts.If we do not stand up then some day we will find not only tabedar state but this land has become part of India.
      thanks.

  3. আচ্ছা ধরে নেই একজন ব্যবহারকারী মাসে গড়ে ৩০০ টাকা ইন্টারনেটের জন্য খরচ করে। এক হিসেব মতে, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩ কোটি ১৫ লাখ। তাহলে গড়ে ৩০০ টাকা হিসেবে মোট খরচ হলো ৯৪৫ কোটি টাকা। সরকার এর উপর ভ্যাট পাচ্ছে ১৫ শতাংশ হারে মাসে ১৪১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। তাহলে বছরে ভ্যাট বাবদ সরকারের আয় হচ্ছে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

    বাংলাদেশে ১ জিবি ইন্টারনেট ৩০০+ টাকার গ্রাহক ৩ কোটি ১৫ লাখ নয়। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা এটা ।

    আপনার তথ্য ভুল আছে এবং এই ভুল তথ্য দিয়ে আপনি অবশ্যই হাম্বালীগ এর দোষত্রুটি দেখাতে চাচ্ছেন।

    তবে বাংলাদেশে সকল অপারেটর ও সকল সরকারই বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলে এটা যেমন সঠিক আবার আপনি হলেও তাই করতেন । কারন আপনি ভুল তথ্য দিয়ে মানুষকে ভুল বুঝাচ্ছেন। আপনিও এক প্রকার দালালের কাজ করেছেন।

    • আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। ইন্টারনেট গ্রাহক সম্পর্কে আপনি সঠিক তথ্যটি উল্লেখ করুন। আমি সংশোধন করে দিচ্ছি। আমার তথ্য ভুল আছে একথাটি বলাই কিন্তু যথেষ্ট নয়। আশা করি ভবিষ্যতে গালাগালি করার আগে পুরো লেখাটা ঠিক মতো পড়ে নেবেন।

    • আমি মোহাম্মদ গোলাম নবী ভাইয়ের সাথে একমত এবং উনি যেই হিসাবটি দিয়েছে তার সাথেও একমত কারন উনি ৩০০ টাকার প্যাকেজের কথা বলেছেন উনি কিন্তু ১৫০০ টাকা বা ২৬০০ টাকার ব্যবহারকারিদের কথা বা ২৫ টাকার ব্যবহারকারিদের কথা বলেননি। একটি ২৬০০ টাকার প্যাকেজ ব্যবহারকারি সমান ৮+ জন ৩০০ টাকার প্যাকেজ ব্যবহারকারি এবং ৩০০ টাকার টাকার প্যাকেজ ব্যবহারকারি সমান ১২ জন ২৫ টাকার ব্যবহারকারি এটা কিন্তুমানতে হবে তাই আমি মনেকরি টাকার হিসাব সম্পূর্ন ঠিক না হলেও অনেক আংশে হলেও ঠিক আছে।

      • মি. অলোক, আপনাকে ধন্যবাদ। সত্যি বলতে কি আপনি যেভাবে লেখাটা পড়েছেন ও উপলব্ধিতে নিয়েছেন মি. জয় সেভাবে নিতে পারেননি। কারণ আমার মনে হয় তিনি লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়েননি। যেকারণে আমি তার মন্তব্যের উত্তরে লিখেছি ‘ভবিষ্যতে গালাগালি করার আগে পুরো লেখাটা ঠিক মতো পড়ে নেবেন।’

        তারপরও আমি তাকে বলেছি যে, তার কাছে যদি সঠিক তথ্য থাকে সেটা জানাতে। কারণ আমাদের দেশে সঠিক তথ্য পাওয়াটা খুবই কঠিন ব্যাপার। আমি নিজেও খোঁজ নিচ্ছি বিভিন্ন সূত্র থেকে। একটু সময় লাগবে। পেয়ে গেলে এখানে জানিয়ে দেব। এখানে যে তথ্যগুলো ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো পত্রিকা থেকে নেওয়া।

        আপনাকে আবারো ধন্যবাদ সময় করে লেখাটা পড়ার জন্য।

  4. obak hoini moteo….emon ta to aj prothom na…awami sorkar amon aro onk kukirti koreche ja likhte boshle reply ta apnar lekhatar cheyeo boro hoye jabe..tai oi alochonata shoriyei rakhi dure…shudhu apnake shadhubad janai jana shottita abar chokhe angul diye dekhiye daoar jonno 🙂

    • মি. মোঃ আতিকুল হুসেইন, আমি বিনীতভাবে আপনার প্রকাশিত মতামতের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছি। কারণ-
      ১. শুধু রাষ্ট্র নয় সামাজিক জীবনেও প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি ও দরকারি একটি বিষয়। প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক রাখাটা কোন ভালো কিছু নয়। বরং সৌহার্দ্যের সঙ্গে বসবাস করা উচিৎ বলে মনে করি। প্রতিবেশী যখন রাষ্ট্র হয় তখন সুন্দর সম্পর্কের বিষয়টি আরো জরুরি কারণ মানচিত্র তো আপনি যখন তখন বদলাতে পারেন না যেমনটা আপনি চাইলে ঘরবাড়ি বদল করতে পারেন। ফলে আমি মনে করি, প্রতিবেশীর সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিকতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা এবং সেসঙ্গে নিজেদের মান মর্যাদা ধরে রাখা ও দেশ ও দেশের মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া বাংলাদেশের যেকোন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মুখ্য বিবেচনা হওয়া দরকার। মাথা উচুঁ করে চলতে হবে। দেশ ও দেশের জনগণের দিকটা আগে দেখতে হবে। তারপর যদি প্রতিবেশীর উপকার করা যায় করলে ক্ষতি তো নেই। বরং তাতে সম্পর্ক ভালো থাকবে।

      ২. আপনার দ্বিতীয় পয়েন্টটিতে কি বলতে চেয়েছেন ঠিক বোধগম্য নয়। তবে আমরা যদি সামরিক বাহিনী কেন সেই প্রশ্নের উত্তর দেখি তাহলে সহজ কথাটি হলো একটি দেশের সামরিক বাহিনীর অন্যতম দয়িত্ব হলো ভিনদেশের আক্রমণ থেকে নিজ দেশের ভূখণ্ড ও জনগণকে রক্ষা করা। আমরা যদি পৃথিবীতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের ইতিহাসের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাব একটি দেশ সাধারণত প্রতিবেশী দেশ দ্বারা আক্রান্ত হয়। অথবা প্রতিবেশী দেশের সহায়তায় দূরের কোন দেশ এসে আক্রমণ করে। যেমনটা, ইরাক কিংবা লিবিয়া আক্রমণে আমেরিকা ওই দেশগুলোর প্রতিবেশীদের সহায়তা নিয়েছিল। সেই বিবেচনায় একটি দেশের সামরিক বাহিনী সবসময় প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতার বিরুদ্ধে সজাগ থাকে। বাংলাদেশের সীমান্তে প্রতিবেশী হলো দুটো রাষ্ট্র ভারত ও মায়ানমার। দুই দেশের ব্যাপারেই বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের দৃষ্টিকোণ থেকে মনোভাব পোষণ করে।

      লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

      • Do you think India is our friend ? Have you seen everyday India (BSF) is killing our innocent people in boarder area ? Have you seen our imbalance Export & Import ? You don’t see any DADAGIRI .India is always killing Muslims in many states specially in Kashmir . Have you seen our water problem ? We wish to have our Neighbours as our FRIENDS NOT MASTERS . Now I think you are not like minded & neutral . Thank you .

    • Thanks Mr. Faisal for your comments.

      My understanding is that change is a process, which needs active participation. I believe, one can not expect positive change without his or her participation in the process. Most of our freedom fighters were not involved in the politics after the independence. Moreover, a good number of them even left the country. A negative process of change started since then and it is continuing. You can not expect positive change without positive leadership and political workers.

      Thanks again.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s