ভারতের সাহারা শিল্পগোষ্ঠীর জাতীয় সঙ্গীত রেকর্ড ভাঙ্গলো বাংলাদেশ সরকার


ভারতের সাহারা শিল্পগোষ্ঠীর চেয়ারম্যান সুব্রত রায় (যাকে বাংলাদেশীরা চেনেন কালিমাখা শিল্পপতি ও বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট টিমের স্পন্সর হিসেবে।) নিজের ও কোম্পানির ইমেজ পুনরুদ্ধারের জন্য ২০১৩ সালের মে মাসের ৬ তারিখে তাদের লক্ষ্ণৌর হেড অফিসের ৪০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে থাকা কর্মীদের নিয়ে আয়োজন করেছিলেন সমবেত জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার রেকর্ড গড়ার অনুষ্ঠান। তাদের সেই রেকর্ড আজকে ভেঙ্গে দিলো সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের অনুষ্ঠান। এর আগে বাংলাদেশ সরকার গত ১৬ ডিসেম্বর আয়োজন করেছিল সবচেয়ে বড় মানব পতাকা তৈরির রেকর্ড গড়ার অনুষ্ঠানের। রেকর্ড হয়েছিল। তবে সেই রেকর্ড পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশ রাজ্য সরকার মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে ভেঙ্গে দিয়েছিল।

গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বুকে বলা আছে প্রতিনিয়তই নতুন নতুন রেকর্ড হচ্ছে। পুরনো রেকর্ড ভাঙ্গছে।

৪৩ বছর ধরে যে জাতীয় সঙ্গীত বাংলাদেশের সকলের প্রাণের সঙ্গীত হিসেবে ছিল। আছে। ১৬ কোটি মানুষের প্রাণের সঙ্গীতকে মাত্র আড়াই লাখ মানুষের সঙ্গীত গাওয়ার রেকর্ড দিয়ে কেন বেধে দেওয়ার এই আয়োজন সেনিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। রেকর্ড গড়ার আয়োজকদের আনন্দ রেকর্ড ভাঙ্গার কষ্টের কাছে কেমন সেটা তারা বিবেচনায় নেননি। যদিও মাত্র কয়েকমাস আগেই এমন একটা ঘটনা ঘটেছে। মানুষ আশা করেছিল সরকার এই আয়োজন থেকে সরে আসবে। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন চৌদ্দ দলীয় জোট সরকার বাংলাদেশী গণতন্ত্রের নীতি ও আদর্শ মেনে তাদের সিদ্ধান্তে অটল থেকেছে। জনগণকে অপেক্ষা করতে হবে আরেকটি নির্বাচনের জন্য। যখন তারা আওয়ামী লীগের এই ধরনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাদের রায় জানানোর সুযোগ পাবে।

আসুন আমরা প্রার্থনা করি আবারো যেন পাকিস্তানের কাছে আমাদের রেকর্ড পরাজিত না হয়।

প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনায় বাংলাদেশ আরেকটি রেকর্ড করল। আগের রেকর্ডটি ছিল সবচেয়ে বড় মানব পতাকা তৈরির। জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ২৭,১১৭ জন মানুষ মিলে তৈরি করেছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। এবার প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ২৫৪,৬৮১ জন সমবেতভাবে গাইল জাতীয় সঙ্গীত। এটা বিশ্ব রেকর্ড। বাংলাদেশের নাম পাওয়া যাবে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে।

বড় মানব পতাকার রেকর্ডটি বাংলাদেশ করেছিল ২০১৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর। সেদিন প্যারেড গ্রাউন্ডে ২৭১১৭ জন মানুষ মিলে তৈরি করেছিল সবচেয়ে বড় মানব পতাকা।

বাংলাদেশ সবচেয়ে বড় মানব পতাকা তৈরির রেকর্ড করল জাতীয় বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর ২০১৩।

বাংলাদেশ সবচেয়ে বড় মানব পতাকা তৈরির রেকর্ড করল জাতীয় বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর ২০১৩।

নাম উঠেছিল গিনেজ বুকে। যদিও মাত্র দুই মাসের মাথায় সেই রেকর্ড পাকিস্তানের দখলে চলে গেছে। পাঞ্জাব ইয়ুথ ফেস্টিভল ২০১৪ তে পাঞ্জাবের স্পোর্টস বোর্ডের আয়োজনে লাহোরের জাতীয় হকি স্টেডিয়ামে ২৮,৯৫৭ জন মানব পতাকা তৈরির রেকর্ড করে। এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানব পতাকা তৈরির রেকর্ড পাকিস্তানের পাঞ্জাব ইয়ুথ ফেস্টিভলের দখলে।
সবচেয়ে বড় মানব পতাকা গড়ার বাংলাদেশী রেকর্ড ভাঙ্গলো পাকিস্তানের ইয়ুথ ফেস্টিভল ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪

সবচেয়ে বড় মানব পতাকা গড়ার বাংলাদেশী রেকর্ড ভাঙ্গলো পাকিস্তানের ইয়ুথ ফেস্টিভল ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪

বাংলাদেশ এবার নতুন বিষয় নিয়ে রেকর্ড করেছে। বাংলাদেশ মাত্রই রেকর্ড করল একসঙ্গে সর্বাধিক সংখ্যক মানুষের জাতীয়/আঞ্চলিক সঙ্গীত গাওয়ার রেকর্ড। সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এই বিশ্ব রেকর্ড তৈরিতে খরচ হয়েছে মাত্র ৫০ কোটি মতান্তরে ৯০ কোটি টাকা। যা ১৬ কোটি মানুষের জন্য গড়ে মাত্র ৬ টাকারও কম। যদিও উপস্থিত ২৫৪,৬৮১ জনের হিসেবে ৩,৫৩৩ টাকা ৮৩ পয়সা মাত্র। এই ধরনের রেকর্ড আয়োজনের যৌক্তিকতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দীর্ঘদিন ধরে অনেকেই বলছেন। বিশেষ করে তারা পাকিস্তান কর্তৃক মানব পতাকা রেকর্ড ভাঙ্গার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন। ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীদের পরাজিত করা ও তাদের আত্মসমর্পণের দিনে মানব পতাকা তৈরির রেকর্ড মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে পাকিস্তানের একটি প্রদেশের আয়োজনে ভাঙ্গার যে ঘটনা ঘটেছিল সেটাকে অনেকেই মেনে নিতে পারেনি।

কিন্তু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র যেখানে নির্বাচিত সরকার জনগণের পক্ষে ৫ বছর ধরে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার বাংলাদেশী গণতান্ত্রিক রীতিনীতি মেনেই নতুন রেকর্ড গড়ার দিকে এগিয়ে যায়। নতুন রেকর্ডের জন্য স্বাধীনতার মাস মার্চ এবং স্বাধীনতা দিবসকে দিন হিসেবে নির্ধারণ করে কাজ এগিয়ে নেয়ার সময়টায় অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, বিজয় দিবসের মতোই স্বাধীনতা দিবসের মর্যাদাকে পাকিস্তান না আবার অল্পদিনেই গুড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ১৬ কোটি প্রাণের যে সঙ্গীত সেই সঙ্গীতকে আলাদা করে গাওয়ার চেষ্টা কেন সেই প্রশ্নও তুলেছেন অনেকেই। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয়ভাবে ১৬ কোটি দেশের মানুষের মধ্যে মাত্র ৩ লাখ মানুষের আয়োজন কতোটা ঠিক হচ্ছে সেই প্রশ্নও তুলেছেন অনেকেই। তারা এও বলেছেন যে, বর্তমানের যে রেকর্ড ভাঙ্গার কথা বলা হচ্ছে সেই রেকর্ডধারী হলো একটি শিল্পগোষ্ঠী। ভারতের সাহারা শিল্পগোষ্ঠী যাদের ১১ লাখের বেশি কর্মী রয়েছে ভারতজুড়ে তারা তাদের হেড কোয়ার্টারের ৪০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে থাকা কর্মীদের নিয়ে একসঙ্গে সর্বাধিক সংখ্যক মানুষের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার আয়োজন করেছিল। এটা তাদের কোম্পানির ব্র্যান্ড ইমেজ তৈরির জন্য দরকার ছিল। তাছাড়া কোম্পানিটি বিভিন্ন ধরনের আর্থিক অনিয়মের কারণে ভারত সরকারের চাপের মধ্যে আছে। এই ধরনের একটি জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার আয়োজন তারা তাদের উপরকার চাপ মোকাবেলা করার জন্যও তৈরি করেছিল। সেখানে যে তারা খুব সফল হয়েছে সেকথা বলা যাবে না। কারণ সাহারার মালিক সুব্রত রায়ের মুখে জনগণ কালি ছুড়ে মেরেছিল। বাংলাদেশে সাহারা গ্রুপ পরিচিত আমাদের জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হিসেবে। সেটি ভিন্ন প্রসঙ্গ।

বাংলাদেশ মানব পতাকা রেকর্ড তৈরির পরপরই প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহে সিদ্ধান্ত হয়েছিল ২৬ মার্চ সমবেতভাবে জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে রেকর্ড করা হবে,পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ থেকে একথা জানা যায়।

বাংলাদেশ সরকারের এই আয়োজন সমাপ্ত হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটের ‘MOST PEOPLE SINGING A NATIONAL/REGIONAL ANTHEM SIMULTANEOUSLY’ ক্যাটাগরিতে সাহারা শিল্পগোষ্ঠী আয়োজিত সমবেতভাবে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার রেকর্ডের ছবি ও বর্ণনা বদলিয়ে বাংলাদেশের ছবি ও বর্ণনা দেয়া হবে। এখন যে ছবিটি আছে এবং বর্ণনাটি দেয়া আছে তা হলো- একই সঙ্গে মানুষের জাতীয় কিংবা আঞ্চলিক সঙ্গীত গাওয়ার সর্বাধিক সংখ্যাটি হলো ১২১,৬৫৩ এবং রেকর্ডটি ৬ মে ২০১৩ তারিখে ভারতের লক্ষ্ণৌতে অর্জন করেছে সাহারা ইন্ডিয়া। সাহারা ইন্ডিয়া ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম চাকুরিদাতা যাদের ১১ লাখের বেশি কর্মী রয়েছে।

সাহারা শিল্পগোষ্ঠীর দখলে আছে বর্তমান রেকর্ড। তাদের কোম্পানির ইউনিফর্ম পড়ে  ভারতীয় জাতীয় সঙ্গীত একইসঙ্গে সবচেয়ে বেশি মানুষের গাওয়ার রেকর্ডটি তারা করেছিল। সেই রেকর্ড আজকে ভাঙ্গল বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।

সাহারা শিল্পগোষ্ঠীর দখলে আছে বর্তমান রেকর্ড। তাদের কোম্পানির ইউনিফর্ম পড়ে ভারতীয় জাতীয় সঙ্গীত একইসঙ্গে সবচেয়ে বেশি মানুষের গাওয়ার রেকর্ডটি তারা করেছিল। সেই রেকর্ড আজকে ভাঙ্গল বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।

সকল অংশগ্রহণকারী কোম্পানির ইউনিফর্ম পড়েছিল এবং অনুষ্ঠানস্থলের ৪০০ কিলোমিটার এলাকার মধ্য থেকে তারা এসেছিল। সংখ্যাটি অডিট ফার্ম দ্বারা নিরীক্ষা করা হয়েছে এবং গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের পক্ষ থেকে দুইজন বিচারক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। (‘The greatest number of people to sing the same National or regional anthem at the same time is 121,653, and was achieved by Sahara India Pariwar (India), in Lucknow, India, on 6 May 2013. Sahara India Pariwar is deemed to be the second largest employer in India with over 1,100,000 employees. All the participants were dressed in company uniform and came from within a 400km radius of the venue. The number was verified by professional audit firms with two GWR Adjudicators present.’)

আমরা আশা করতে পারি দ্রুততার সঙ্গে গিনেজ কর্তৃপক্ষ বর্ণনা ও ছবি বদলে দেবেন যদিও গিনিজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়ে রেখেছে যে, ‘Records change on a daily basis and are not immediately published online.’ ইন্টারনেট থেকে জানা যাচ্ছে যে, পাকিস্তানের লাহোর রাজ্য কর্তৃপক্ষ জাতীয় সঙ্গীতের রেকর্ড গড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার নেতৃত্বধানকারী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার আজ একইসঙ্গে সর্বাধিক সংখ্যকের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার যে বিশ্ব রেকর্ডের মাধ্যমে ইতিহাস তৈরি করল সেটার ভালোমন্দ জানা যাবে আগামী দিনে।

আজ মহান স্বাধীনতা দিবসে দেশের জন্য যারা প্রাণ দিয়েছিলেন তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। যারা বেঁচে আছেন, যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন প্রাণের আকুতি থেকে এবং দেশের স্বাধীনতাকে ধারণ করেন বুকের গভীরে তাদের প্রতিও রইল বিনম্র শ্রদ্ধা। তাদের কাছে দোঁয়া চাই আমরা যেন তাদের সেই চেতনাকে সত্যিকার অর্থে বুকের মাঝে ধারণ করে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য নিজের সাধ্যের সবটুকু দিয়ে কাজ করতে পারি না। সত্যিকারের দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবাসতে পারি। তারা যেমন পাকিস্তানী শাসকদের অত্যাচার ও অনাচার থেকে মেহনতী মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য লড়াই করে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন, তাদের সেই অসমাপ্ত কাজ যেন আমরা বাংলাদেশী শাসকদের অত্যাচার ও অনাচার থেকে মেহনতী মানুষের মুক্তির মাধ্যমে সমাপ্ত করতে পারি।

বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের জয় হোক।

Advertisements

One thought on “ভারতের সাহারা শিল্পগোষ্ঠীর জাতীয় সঙ্গীত রেকর্ড ভাঙ্গলো বাংলাদেশ সরকার

  1. আমাদের রেকড অন্য কেউ ভেঙ্গে ফেলবে আপনি সেই ভয় পাচ্ছেন? ১ম কথা হলো, আমরা যে রেকড গড়লাম তা অন্য কেউ নিয়ে যাবে না, বোধহয় সেই চিন্তায় এই উদ্যোগ গ্রহন করা হয় নাই। ৬ টাকার বিনিময়ে দেশের নাম, পরিচিতি অল্প হলেও উজ্জল হলো। এটাতো কম প্রাপ্তি নয়।আমাদের এই রেকড যদি কোন দেশ ভেঙ্গে ফেলে এবং আবারও পরবতীতে কেউ যদি উদ্যোগ নেয় আমি ১৮ টাকা দিতে কুন্ঠা বোধ করবো না।
    আমি ব্যক্তিগত ভাবে একটা বিষয় মেনে নেই, সেটা হলো বাংলাদেশ ক্রিকেট খেলাতে যদি একটা মান সম্মত রান করে তবে সেটা বাংলাদেশের জন্য জয়। সাহারা কোম্পানী বা পাকিস্থান আরো বড় কিছু করতেই পারে। তাই বলে আমরা কিছু করবো না? বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ক্ষমতায় এই বৃহৎ ঘটনা বাঙ্গলীর ১৬ কোটি প্রাণের গিনিজ বুকে সারা জীবন থাকবে তা কখনোই ভাঙ্গা যাবে না। কোটি মানুষের প্রাণের বিনিময়ে পাকিস্থানের কাছ থেকে দেশ স্বাধীন করেছে, সেই স্বাধীনতা আর হারাবে না। তবে পাকিস্থান যদি আমাদের সাথে এসব বিষয় নিয়ে প্রতিযোগীতা করে, তবে সেটা তাদের দৈন্যতা। আমরা সেগুলোর তোয়াক্কা করি না।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s